প্রশ্নের বর্ণনা

a কর্তা, কর্ম ও ক্রিয়া
b কর্তা, ক্রিয়া ও কর্ম
c ক্রিয়া, কর্ম ও কর্তা
d কর্ম, ক্রিয়া ও কর্তা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্তা, কর্ম ও ক্রিয়া ১. কেন সঠিক: - বাংলা বাক্যের স্বাভাবিক ও প্রমিত পদক্রম হলো প্রথমে কর্তা, মাঝে কর্ম এবং শেষে ক্রিয়া বসে। - এটি বাংলা ভাষার বাক্য গঠনের মূল ভিত্তি, যা ভাষার ভাবকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একটি সার্থক বাক্যের তিনটি প্রধান অংশ থাকে যথা উদ্দেশ্য বা কর্তা, সম্প্রসারক বা কর্ম এবং বিধেয় বা ক্রিয়া। - ইংরেজি ভাষার বাক্য গঠন প্রণালী হলো কর্তা, ক্রিয়া ও কর্ম বা Subject, Verb, Object, কিন্তু বাংলা ভাষা এর সম্পূর্ণ বিপরীত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাত্ররা ফুটবল খেলছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ছাত্ররা হলো কর্তা, ফুটবল হলো কর্ম এবং খেলছে হলো ক্রিয়া, যা সঠিক পদক্রম অনুসরণ করেছে। উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পাখি হলো কর্তা, আকাশে হলো অধিকরণ কারক বা স্থান এবং ওড়ে হলো ক্রিয়া। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তা, কর্ম ও ক্রিয়া — এটি বাংলা বাক্যের স্বাভাবিক ও প্রমিত গঠনের সঠিক নিয়ম হওয়ায় সঠিক। B) কর্তা, ক্রিয়া ও কর্ম — এটি ইংরেজি বাক্য গঠনের নিয়ম হওয়ায় বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি ভুল। C) ক্রিয়া, কর্ম ও কর্তা — এই ক্রমানুসারে বাক্য সাজালে বাংলা ভাষার স্বাভাবিক অর্থ ও ব্যাকরণগত সৌন্দর্য নষ্ট হয়। D) কর্ম, ক্রিয়া ও কর্তা — এই পদক্রমে বাক্য গঠন করলে বাক্যের ভাব প্রকাশে চরম অসংগতি দেখা দেয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা বাক্যের গঠন মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ককক্র অর্থাৎ কর্তা, কর্ম ও ক্রিয়া। - ইংরেজি ভাষার সাথে গুলিয়ে না ফেলে মনে রাখতে হবে বাংলায় ক্রিয়া সবসময় বাক্যের শেষে বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর ও বাক্য শুদ্ধিকরণে এই পদক্রমের নিয়মটি খুব বেশি ব্যবহৃত হয়। - যেকোনো সাধারণ বাক্যে কারক নির্ণয় করার সময় এই পদক্রম মাথায় রাখলে কর্তা ও কর্ম চিনতে সুবিধা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0