প্রশ্নের বর্ণনা

a বিশ্বামিত্র
b দুর্বাসা
c পরশুরাম
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশ্বামিত্র ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবিতায় কবি নিজেকে পৌরাণিক ঋষি বিশ্বামিত্রের শিষ্য বলে দাবি করেছেন। - বিদ্রোহী চরিত্রের উগ্রতা ও বিদ্রোহী মনোভাব বোঝাতে কবি এই পৌরাণিক চরিত্রের উল্লেখ করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি। - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এই কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পর চারদিকে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি বিশ্বামিত্র-শিষ্য, আমি জয় করিব বিশ্ব নিশীথ। ব্যাখ্যা: এই চরণে কবি বিশ্বামিত্রের শিষ্য হিসেবে নিজের অপ্রতিরোধ্য শক্তির প্রকাশ ঘটিয়েছেন। উদাহরণ ২: বিশ্বামিত্র ঋষি তার কঠোর সাধনা ও ক্ষমতার জন্য পৌরাণিক সাহিত্যে বিখ্যাত। ব্যাখ্যা: বিদ্রোহী কবিতায় বিদ্রোহী সত্তার শক্তির তুলনা করতে এই পৌরাণিক প্রসঙ্গ আনা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বামিত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবিতায় কবি সরাসরি বিশ্বামিত্রের শিষ্য বলে নিজেকে প্রকাশ করেছেন। B) দুর্বাসা — দুর্বাসা ক্রুদ্ধ ঋষি হিসেবে পরিচিত হলেও কবি এই কবিতার জন্য তাকে নিজের গুরু বা শিষ্য হিসেবে দাবি করেননি। C) পরশুরাম — পরশুরাম বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার ও কুঠারধারী যোদ্ধা হলেও এই কবিতার সঙ্গে তার শিষ্যত্বের কোনো সম্পর্ক নেই। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্রোহী কবিতায় বিশ্বামিত্রের নাম মনে রাখতে বিশ্ব শব্দটির সাহায্য নিতে পারো। - বিশ্বামিত্র এবং বিশ্বজয় এই মিলের মাধ্যমে সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুলের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই কবিতার বিভিন্ন চরণের তাৎপর্য ও পৌরাণিক চরিত্র সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0