প্রশ্নের বর্ণনা

a সুকান্ত ভট্টাচার্য
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c আবু জাফর শামসুদ্দীন
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলা সাহিত্য (কবি ও কবিতা) সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - বাংলা কাব্য সাহিত্যে ইতালীয় সনেট বা পেত্রার্কীয় সনেটের প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। - ফরাসি সোনটের অনুকরণে তিনি বাংলায় এই সনেট রূপটি সফলভাবে প্রচলন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবক্তা এবং সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক। - তার বিখ্যাত সনেট সংকলন সনেটপঞ্চশতী, যা ইতালীয় সনেটের আদলে রচিত পদ্যের সংকলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সনেটপঞ্চশতী ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর রচিত বিখ্যাত সনেট সংকলন, যা ইতালীয় সনেট ধারার এক অনন্য সৃষ্টি। উদাহরণ ২: বীরবলী প্রবন্ধ ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে বাংলা সাহিত্যে মননশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধ রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি মার্ক্সবাদী ধারার একজন তরুণ কিশোর কবি ও গণমানুষের মুখপত্র ছিলেন, সনেটের প্রবর্তক নন। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে প্রথম সনেটের প্রবর্তক (চতুর্দশপদী কবিতা), তবে তা ইতালীয় সনেটের প্রবর্তক হিসেবে প্রমথ চৌধুরীর চেয়ে আলাদা প্রেক্ষাপটের। (উল্লেখ্য, বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত, কিন্তু প্রশ্নে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তক হিসেবে প্রমথ চৌধুরীকেই নির্দেশ করা হয় কারণ তিনি পেত্রার্কীয় বা ইতালীয় রূপটি বিশেষভাবে বাংলায় আনেন)। C) আবু জাফর শামসুদ্দীন — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, সনেট চর্চার জন্য পরিচিত নন। D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা কাব্য সাহিত্যে সনেট চর্চার ক্ষেত্রে ইতালীয় রীতি বা সনেটপঞ্চশ্রতীর মাধ্যমে বিশেষ অবদান রাখেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরী মানেই সবুজপত্র এবং সনেটপঞ্চশতী। - সনেটপঞ্চশতী গ্রন্থে ইতালীয় সনেটের প্রভাব স্পষ্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা কাব্যে প্রথম সনেট রচনা করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত (বঙ্গভাষা সনেট)। - ইতালীয় সনেটের প্রবর্তক বললে প্রমথ চৌধুরীর সনেটপঞ্চশতী মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0