প্রশ্নের বর্ণনা

a তৃতীয়া তৎপুরুষ
b রূপক কর্মধারয়
c মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
d উপপদ তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তৃতীয়া তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - 'মেঘলুপ্ত' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মেঘ দ্বারাুপ্ত বা মেঘ কর্তৃক লুপ্ত। এখানে পূর্বপদের সঙ্গে তৃতীয়া বিভক্তি (দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক) যুক্ত রয়েছে এবং সমাসের পর বিভক্তি লোপ পেয়েছে। - তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যদি পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তবে তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে এবং বিভক্তির নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (যেমন কে, রে, দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক, হইতে, থেকে, চে, র, এর, এ, য়, তে) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তি বা অনুসর্গ (দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক) যুক্ত থাকে এবং সমাসবদ্ধ হলে তা লোপ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধুমাখা ব্যাখ্যা: মধু দ্বারা মাখা। এটি তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ যেখানে দ্বারা অনুসর্গ লোপ পেয়েছে। উদাহরণ ২: স্বর্ণমণ্ডিত ব্যাখ্যা: স্বর্ণ দ্বারা মণ্ডিত। এটিও তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে পূর্বপদের অনুসর্গ লুপ্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৃতীয়া তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে মেঘ দ্বারা লুপ্ত বোঝানো হয়েছে এবং তৃতীয়া বিভক্তি লোপ পেয়েছে। B) রূপক কর্মধারয় — রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — মধ্যপদলোপী কর্মধারয়ে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সম্পূর্ণ লোপ পায়, কিন্তু এটি বিভক্তি লোপ পাওয়ার কারণে তৎপুরুষ সমাস। D) উপপদ তৎপুরুষ — কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে, যা এখানে হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের ব্যাসবাক্যে যদি দ্বারা, দিয়া বা কর্তৃক থাকে এবং তা সংক্ষেপ করার পর লুপ্ত হয়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে অনুসর্গযুক্ত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0