প্রশ্নের বর্ণনা

a শহিদ মিনার
b নুরুল হুদা
c গেরিলা যোদ্ধা
d রেইনকোট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শহিদ মিনার ১. কেন সঠিক: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াংসের 'রেইনকোট' গল্পে শহিদ মিনারকে পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা বলা হয়েছে। - পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ও তাদের দোসররা মনে করত শহিদ মিনার থেকেই বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও বিদ্রোহের আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'রেইনকোট' গল্পটির রচিয়তা কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও তৎকালীন ঢাকা কলেজের একটি পটভূমিতে গল্পটি রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা কলেজ ব্যাখ্যা: এটি গল্পের প্রধান চরিত্র অধ্যাপক নুরুল হুদার কর্মক্ষেত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের একটি প্রতীকী স্থান। উদাহরণ ২: অপারেশন সার্চলাইট ব্যাখ্যা: ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যে হত্যাযজ্ঞ চালায় তার একটি ঐতিহাসিক পটভূমি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শহিদ মিনার — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাকিস্তানিরা একে তাদের অস্তিত্বের অন্তরায় বা কাঁটা মনে করত। B) নুরুল হুদা — ইনি গল্পের মূল চরিত্র এবং ভীতু প্রকৃতির একজন অধ্যাপক, পাকিস্তানের কাঁটা নন। C) গেরিলা যোদ্ধা — এরা দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামী, তবে সরাসরি এই বিশেষ উপমাটি এদের জন্য ব্যবহৃত হয়নি। D) রেইনকোট — এটি গল্পের একটি প্রতীকী বস্তু যা পরিধান করে নুরুল হুদা সাহস সঞ্চয় করেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে পাকিস্তানিরা বাঙালি সংস্কৃতির কেন্দ্র শহিদ মিনারকে তাদের শাসনের কাঁটা ভাবত। - 'রেইনকোট' গল্পের প্রতীকগুলো যেমন রেইনকোট সাহস ও শহিদ মিনার দ্রোহের প্রতীক হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বিখ্যাত ছোটগল্প 'রেইনকোট' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অনন্য সৃষ্টি। - চরিত্রের নাম ও প্রতীকী অর্থ ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0