প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
b তৃতীয়া তৎপুরুষ
c পঞ্চমী তৎপুরুষ
d ষষ্ঠী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পঞ্চমী তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - ঋণ হতে মুক্ত কথাটিতে অপাদান কারকের বিভক্তি বা অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। - চ্যুতি, বিচ্যুতি, গৃহীত, জাত, বিরত, মুক্ত ইত্যাদি বোঝালে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - পূর্বপদের সঙ্গে পঞ্চমী বিভক্তি বা হইতে, থেকে, চেতে অনুসর্গ যুক্ত হয়ে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ বলে। - এখানে ঋণ শব্দের সঙ্গে হইতে অনুসর্গ যুক্ত হয়ে বিচ্ছেদ বা মুক্তি বুঝিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাঁচা ছাড়া ব্যাখ্যা: খাঁচা হইতে ছাড়া বুঝাতে এটি পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস। উদাহরণ ২: দেশত্যাগী ব্যাখ্যা: দেশ হইতে ত্যাগী বা দেশ থেকে যে বিতাড়িত, তা পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয়া তৎপুরুষ — দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাসে কর্ম কারকের কে বা রে বিভক্তি লোপ পায়, যা এখানে নেই। B) তৃতীয়া তৎপুরুষ — তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসে করণ কারকের দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক অনুসর্গ লোপ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) পঞ্চমী তৎপুরুষ — সঠিক উত্তর। D) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে সম্বন্ধ পদের র বা এর বিভক্তি যুক্ত হয়, যা এখানে নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো কিছু থেকে মুক্তি, চ্যুতি, ভয় বা দূরত্ব বুঝালে চোখ বুজে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। - হইতে, থেকে, চেতে অনুসর্গ দেখলে পঞ্চমী বিভক্তি ও তৎপুরুষ সমাস মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্ত, চ্যুতি বা ভয়বাচক শব্দ দিয়ে প্রায়ই পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস আসে। - কারকের বিভক্তি চেনার মাধ্যমে তৎপুরুষ সমাস খুব সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0