প্রশ্নের বর্ণনা

a ১০
b ১১
c ১২
d ১৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ ১. কেন সঠিক: - 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মোট দৃশ্য সংখ্যা বারোটি। নাট্যকার সিকান্দার আবু জাফর ঐতিহাসিক পটভূমিতে এই নাটকটি রচনা করেছেন। - নাটকের মূল কাহিনীর বিস্তার এবং চরিত্রগুলোর দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তুলতে এই বারোটি দৃশ্য অত্যন্ত সুচারুভাবে বিন্যস্ত করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'সিরাজউদ্দৌলা' একটি ঐতিহাসিক নাটক যার রচয়িতা খ্যাতিমান সাহিত্যিক ও সাংবাদিক সিকান্দার আবু জাফর। নাটকটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতন ও ষড়যন্ত্রের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। - এই নাটকে পলাশীর যুদ্ধের পটভূমি এবং মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা প্রধানভাবে চিত্রিত হয়েছে যা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গেও প্রতীকীভাবে যুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরী রচিত 'রক্তাক্ত প্রান্তর' একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক। ব্যাখ্যা: এটি পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি ট্র্যাজেডিধর্মী নাটক। উদাহরণ ২: জহির রায়হানের 'অন্য দিন শেষ হবে' বা নাটকধর্মী রচনা। ব্যাখ্যা: ঐতিহাসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত নাটক বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ — এই সংখ্যাটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মোট দৃশ্যের সঙ্গে মেলে না কারণ নাটকে মোট বারোটি দৃশ্য রয়েছে। B) ১১ — নাটকের মোট দৃশ্যের সংখ্যা এগারোটি নয় বরং এটি সঠিক উত্তরের চেয়ে কম। C) ১২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকে দৃশ্য সংখ্যা ঠিক বারোটি। D) ১৩ — তেরোটি দৃশ্য সিরাজউদ্দৌলা নাটকে নেই, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিরাজউদ্দৌলা নাটকের নাম মনে রাখলে এর সাথে দৃশ্য সংখ্যা বারো সংখ্যাটি জোড়া লাগিয়ে মুখস্থ রাখতে পারো। - ঐতিহাসিক নাটকের ক্ষেত্রে রচয়িতা সিকান্দার আবু জাফর এবং দৃশ্য সংখ্যা বারো একটি পরীক্ষাসর্বস্ব প্রশ্ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক নাটকের রচয়িতা এবং দৃশ্য বা অঙ্ক সংখ্যা প্রায়ই আসে। - সিকান্দার আবু জাফরের জন্ম ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0