প্রশ্নের বর্ণনা

a আকবর সাজিদ
b আব্দুস সাত্তার মৃধা
c নুরুল হুদা
d আফাজ আহমদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আফাজ আহমদ ১. কেন সঠিক: - 'শোნენ, মিলিটারি যাদের ধরে, মিছেমিছি ধরে না' - উক্তিটি আকবর সাজিদ নয়, বরং আফাজ আহমদের। - 'রেইনকোট' গল্পে পাক হানাদার বাহিনীর সমর্থক এবং দালাল চরিত্রের মুখে এই ধরনের সংলাপ ব্যবহার করে লেখকের মানসিকতা ও বাস্তবতার নিষ্ঠুর রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত 'রেইনকোট' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প। - এই গল্পে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ঢাকা শহরের ভয়াবহ অবস্থা, সাধারণ মানুষের আতঙ্ক এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বর্বরতার চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'রেইনকোট' গল্পের মূল চরিত্র নুরুল হুদা তার ভগ্নিপতির মিলিটারিকেন্দ্রিক মানসিকতা ও ভয়ভীতির মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করেন। ব্যাখ্যা: এই চরিত্রটির মাধ্যমে তৎকালীন মধ্যবিত্ত সমাজের এক শ্রেণির মানুষের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা ও বেঁচে থাকার লড়াই প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বিখ্যাত উপন্যাস 'চিলেকোঠার সেপাই' ও 'খোয়াবনামা'। ব্যাখ্যা: এসব উপন্যাসেও লেখক কালজয়ী ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রাম অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকবর সাজিদ — ইনি 'রেইনকোট' গল্পের একটি চরিত্র এবং কলেজের প্রিন্সিপাল হলেও এই বিশেষ উক্তিটি তাঁর নয়। B) আব্দুস সাত্তার মৃধা — ইনিও গল্পটির একটি চরিত্র এবং পাকিস্তানের অন্ধ ভক্ত, তবে আলোচ্য উক্তিটি তাঁর নয়। C) নুরুল হুদা — ইনি 'রেইনকোট' গল্পের মূল কেন্দ্রীয় চরিত্র ও কথক, যাঁর জারুলতলার পিন্টুর রেইনকোট পরার মধ্য দিয়ে গল্পটি এগিয়ে যায়। D) আফাজ আহমদ — ইনি সঠিক চরিত্র যিনি উক্তিটির বক্তা এবং পাক বাহিনীর সমর্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: - রেইনকোট গল্পে মিলিটারির অন্ধ সমর্থক ও দালাল চরিত্রগুলোর নাম মনে রাখবে। - আফাজ আহমদ হলেন সেই চরিত্র যিনি মিলিটারির অন্ধ ভক্ত ও এই উক্তিটির প্রবক্তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প হিসেবে 'রেইনকোট' থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চরিত্র ও উক্তিভিত্তিক প্রশ্ন আসে। - গল্পের প্রাবন্ধিক বা কথক এবং অন্যান্য পার্শ্বচরিত্রগুলোর সংলাপ ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0