প্রশ্নের বর্ণনা

a শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
b নীহাররঞ্জন গুপ্ত
c শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
d সত্যজিৎ রায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ' চরিত্রটির স্রষ্টা হলেন বিখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। - ব্যোমকেশ বক্সী নিজেকে গোয়েন্দা বলতে পছন্দ করতেন না, তিনি নিজেকে সত্যান্বেষী বলতেই ভালোবাসতেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের ঐতিহাসিক উপন্যাস ও গোয়েন্দা কাহিনীর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - তাঁর সৃষ্টি ব্যোমকেশ বক্সী বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যে শেরলক হোমসের সমকক্ষ একটি জনপ্রিয় চরিত্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ সিরিজের প্রথম গল্প 'পথের কাটা'। ব্যাখ্যা: এই গল্পের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে ব্যোমকেশ চরিত্রের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। উদাহরণ ২: শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাস 'কালের মন্দিরা'। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত উপন্যাস যা বাংলা ঐতিহাসিক উপন্যাসের ধারায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ব্যোমকেশ চরিত্রের স্রষ্টা। B) নীহাররঞ্জন গুপ্ত — এই লেখক 'কিরীটি রায়' নামক বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্রের স্রষ্টা। C) শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় — এই প্রখ্যাত লেখক 'শবর দাশগুপ্ত' ও 'বুলু' গোয়েন্দা চরিত্রের স্রষ্টা। D) সত্যজিৎ রায় — এই বিশ্ববরণীয় চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক 'ফেলুদা' ও 'প্রফেসর শঙ্কু' চরিত্রের স্রষ্টা। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্যোমকেশ বক্সীর নামের সাথে সত্যান্বেষী শব্দটি মনে রাখবে। - শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় মানেই ব্যোমকেশ আর অজিত এই জুটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গোয়েন্দা চরিত্র ও তাদের স্রষ্টার নাম প্রায়ই আসে। - কিরীটি রায় মানে নীহাররঞ্জন গুপ্ত এবং ফেলুদা মানে সত্যজিৎ রায়, এই তথ্যগুলোও মনে রেখো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0