প্রশ্নের বর্ণনা

a ধূসর পাণ্ডুলিপি
b রাত্রিশেষ
c ঝরা পালক
d রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাত্রিশেষ ১. কেন সঠিক: রাত্রিশেষ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা নয়। এটি কবি ও ঔপন্যাসিক বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার রূপবাদী ও নির্জনতম কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর কাব্যে বাংলার প্রকৃতি, রূপসী রূপ এবং মানুষের অন্তরের বিষণ্নতা গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম প্রধান ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বেলা অবেলা কালবেলা ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর প্রকাশিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূসর পাণ্ডুলিপি — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বহুল পঠিত কাব্যগ্রন্থ। B) রাত্রিশেষ — এটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়, বরং বুদ্ধদেব বসুর কাব্যগ্রন্থ। C) ঝরা পালক — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। D) রূপসী বাংলা — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রকৃতি বন্দনার এক অনন্য কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের প্রধান কাব্যগুলো মনে রাখার জন্য তাঁর বিখ্যাত কাব্যগুলোর নাম যেমন ধূসর পাণ্ডুলিপি, ঝরা পালক ও রূপসী বাংলা বারবার চর্চা করতে হবে। অন্য কবিদের কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরা পালক এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ রূপসী বাংলা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। কবিদের নামের সঙ্গে তাঁদের নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থের মিলকরণ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0