প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্কিমচন্দ্র
b রবীন্দ্রনাথ
c বনফুল
d শরৎচন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শরৎচন্দ্র ১. কেন সঠিক: - প্রকৃতিবেষ্টিত দেবানন্দপুর গ্রামটি বিখ্যাত কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত। - বাংলা কথাসাহিত্যে পল্লীপ্রকৃতির অপরূপ রূপায়ণ এবং মানুষের জীবনের নানা দিক ফুটিয়ে তোলার জন্য শরৎচন্দ্রের সাহিত্যকর্ম বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক। - তাঁর রচিত দেবদাস, শ্রীকান্ত, গৃহদাহ, পথের দাবি ইত্যাদি উপন্যাস বাংলা কথাসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি আত্মজীবনীমূলক শ্রেষ্ঠ উপন্যাস, যেখানে বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও মানুষের জীবন সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: পল্লীসমাজ ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্রের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার পটভূমি বাংলার একটি সাধারণ গ্রাম এবং গ্রামীণ সমাজের নানা অসঙ্গতি এতে চিত্রিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম পশ্চিমবঙ্গের নৈহাটি বা কাঁঠালপাড়া গ্রামে, দেবানন্দপুর গ্রামে নয়। B) রবীন্দ্রনাথ — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে, দেবানন্দপুর গ্রামের সঙ্গে তাঁর জন্মস্থানের কোনো সম্পর্ক নেই। C) বনফুল — বনফুলের প্রকৃত নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় এবং তাঁর জন্ম বিহারের পূর্ণিয়া জেলায়, দেবানন্দপুর গ্রামে নয়। D) শরৎচন্দ্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রামেই কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্র মানেই পল্লীপ্রকৃতি এবং দেবানন্দপুর গ্রাম। - কথাশিল্পীর জন্মস্থান মনে রাখতে শরৎচন্দ্রের নামের সাথে দেবানন্দপুর গ্রাম যুক্ত করে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের জন্মস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত লেখকদের জন্মস্থান এবং পৈতৃক নিবাস সম্পর্কিত তথ্য ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0