প্রশ্নের বর্ণনা

a শিক্ষার প্রসার ঘটানো
b কবিতা রচনা করা
c শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা
d পৃথিবীর ক্রমমুক্তি ঘটানো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পৃথিবীর ক্রমমুক্তি ঘটানো ১. কেন সঠিক: সুচেতনা কবিতায় কবি জীবনানন্দ দাশ মানবসভ্যতার দীর্ঘ বিবর্তন ও মানুষের চিন্তার বিকাশকে তুলে ধরেছেন। এখানে 'অনেক শতাব্দীর মনীষীর কাজ' বলতে মানবসভ্যতাকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং পৃথিবীর ক্রমমুক্তি ঘটানোকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সুচেতনা কবিতাটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এই কবিতায় কবি মানবসভ্যতার দীর্ঘ ইতিহাসের সঙ্গে প্রজ্ঞা, চেতনা এবং পৃথিবীর মুক্তির এক গভীর দার্শনিক যোগসূত্র স্থাপন করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: সুচেতনা কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলার আরেকটি অনন্য সৃষ্টি যা তাঁর কবিতাকে সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষার প্রসার ঘটানো — সুচেতনা কবিতায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রসারের কথা সরাসরি বলা হয়নি, বরং মানবমনের বিকাশ ও চেতনার কথা বলা হয়েছে। B) কবিতা রচনা করা — মনীষীদের কাজ কেবল কবিতা রচনা করা নয়, বরং সমাজ ও সভ্যতার সার্বিক কল্যাণ সাধন করা। C) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা — কবিতাটিতে বস্তুগত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরির কোনো ইঙ্গিত নেই, এটি মননশীল ও দার্শনিক ভাবনার প্রকাশ। D) পৃথিবীর ক্রমমুক্তি ঘটানো — এই অপশনটি কবিতার মূল ভাব ও লাইনের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায় কারণ মনীষীরা পৃথিবী ও মানবজাতিকে মুক্তি ও প্রগতির পথে এগিয়ে নেন। ৫. মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের সুচেতনা কবিতায় মনীষীদের কাজ মানেই পৃথিবীর ক্রমমুক্তি। মনে রাখার জন্য সুচেতনা শব্দটির সঙ্গে মনীষী ও পৃথিবীর মুক্তি এই তিনটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুচেতনা কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ ও বিখ্যাত লাইন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0