প্রশ্নের বর্ণনা

a বাঙালির
b ক্রীতদাসের
c শ্রমিকের
d শোষিতের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্রীতদাসের কেন সঠিক: ১. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস এবং মানব ইতিহাসের পটভূমিতে ক্রীতদাসদের ওপর চলা অমানবিক শারীরিক নির্যাতনের বাস্তব রূপ ফুটিয়ে তুলতে এই উপমা ব্যবহার করা হয়েছে। ২. চাবুকের আঘাতে পিঠ ফেটে রক্ত জমে যাওয়ার দৃশ্যটিকে কবি অত্যন্ত রূপকভাবে রক্তজবা ফুলের সঙ্গে তুলনা করে এই বিশেষ চিত্রকল্প ফুটিয়ে তুলেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা সাহিত্যে উপমান ও রূপক অলঙ্কারের চমৎকার প্রয়োগ ঘটিয়ে কবির সংবেদনশীল মন ও প্রতিবাদের স্বর এই পঙক্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। ২. মানব ইতিহাসের নির্মম দাসপ্রথা এবং তার বিরুদ্ধে মানুষের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরতে এই বিশেষ সাহিত্যিক প্রসঙ্গটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৩. যেমন কোনো লাল ফুল বা ক্ষতচিহ্নের বর্ণনায় উপমা হিসেবে প্রকৃতির উপাদান ব্যবহার করে কাব্যের সৌন্দর্য ও গভীরতা বৃদ্ধি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঙালির — সাধারণ বাঙালি জাতির সামগ্রিক জীবনযাত্রার বর্ণনায় পিঠে এমন নির্দিষ্ট দাগ থাকার ঐতিহাসিক বা কাব্যিক কোনো সরাসরি উল্লেখ নেই। C) শ্রমিকের — শ্রমিক শ্রেণী কঠোর পরিশ্রম করলেও তাদের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট রূপকটি ব্যবহৃত হয়নি যা মূলত ক্রীতদাসের নির্যাতনের প্রতীক। D) শোষিতের — শোষিত শ্রেণী নানাভাবে নিপীড়িত হলেও রক্তজবার মতো দাগ থাকার নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটি কেবল ক্রীতদাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: ১. রক্তজবা ফুল লাল রঙের হয় এবং চাবুকের আঘাতে ক্রীতদাসের পিঠের ক্ষতও লাল দেখায়, তাই এই লাল রঙের মিল দিয়ে উত্তরটি মনে রাখবে। ২. দাসপ্রথার নিষ্ঠুর ইতিহাস এবং নির্যাতন বোঝাতে বাংলা কবিতায় ক্রীতদাস শব্দের সঙ্গে এই বিশেষ শারীরিক লক্ষণের সংযোগ ঘটানো হয়েছে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0