প্রশ্নের বর্ণনা

a পাকবাহিনী
b মিত্রবাহিনী
c রাজাকার
d মুক্তিবাহিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুক্তিবাহিনী ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল এবং এটি একটি অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য। - মূল গল্পের প্রেক্ষাপট এবং ইংরেজি শব্দের অর্থ বিবেচনা করলে এই উত্তরটি কোনোভাবেই সঠিক হতে পারে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্প ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত 'রেইনকোট' ছোটগল্পে পাকবাহিনী ও তাদের দোসররা মুক্তিযোদ্ধাদের 'মিসক্রিয়েন্ট' বা দুষ্কৃতকারী হিসেবে অভিহিত করত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'রেইনকোট' গল্পটি একটি প্রতীকী ও মনস্তাত্ত্বিক রচনা। ব্যাখ্যা: এই গল্পে আইয়ুব গেটের অধীনে কর্মরত সরকারি কর্মচারী নুরুল হুদার জীবন ও মনস্তত্ত্বের মাধ্যমে তৎকালীন ভীতিপ্রদ রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: গল্পের প্রধান চরিত্র নুরুল হুদা তার ভীরুতা দূর করতে প্রিন্সিপালের আলখাল্লার মতো পিন্টুর রেইনকোটটি গায়ে জড়ায়। ব্যাখ্যা: রেইনকোট গায়ে দেওয়ার পর থেকেই তার মানসিক পরিবর্তন ঘটে এবং সে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধাদের একজন সহচর বা তাদের সমগোত্রীয় ভাবতে শুরু করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকবাহিনী — পাকবাহিনী এবং তাদের দোসররা মুক্তিযোদ্ধাদের 'মিসক্রিয়েন্ট' বা দুষ্কৃতকারী বলে অবমূল্যায়ন করত, তাই পাকবাহিনী নিজে মিসক্রিয়েন্ট হতে পারে না। B) মিত্রবাহিনী — মিত্রবাহিনী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিল এবং তারা এই গল্পের 'মিসক্রিয়েন্ট' শব্দের আওতাভুক্ত নয়। C) রাজাকার — রাজাকার হলো পাকবাহিনীর এদেশীয় স্থানীয় দালাল ও সহযোগী শক্তি, যারা মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে পাকবাহিনীকে সহায়তা করত। D) মুক্তিবাহিনী — মূল গল্পে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ও তাদের দোসররা স্বাধীনতাকামী বাঙালি যোদ্ধাদের অর্থাৎ মুক্তিযোদ্ধাদের অবজ্ঞা করে 'মিসক্রিয়েন্ট' বা দুষ্কৃতকারী বলে সম্বোধন করত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি মিসক্রিয়েন্ট শব্দের অর্থ দুষ্কৃতকারী। - পাকবাহিনী ও তাদের দোসররা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের এই অবমাননাকর বিশেষণে অভিহিত করত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'রেইনকোট' গল্পে পাকবাহিনীর দৃষ্টিতে বাঙালি মুক্তিযোদ্ধারা ছিলেন মিসক্রিয়েন্ট। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নে ঔপন্যাসিক বা গল্পকারের ব্যবহৃত বিশেষ শব্দের অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক অর্থ ভালোভাবে বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0