প্রশ্নের বর্ণনা

a তিন
b চার
c পাঁচ
d ছয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিন ১. কেন সঠিক: কানাইয়ের সঙ্গে গোকুলের কতজন পিয়াদা এসেছিল তা বাংলা সাহিত্যের একটি নির্দিষ্ট চরিত্র ও কাহিনীমূলক প্রশ্ন থেকে এসেছে। এখানে পিয়াদা বা পদাতিক রক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট করে তিনজন বলা হয়েছে যা মূল সাহিত্যকর্মের কাহিনীর সঙ্গে মিলপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের কোনো বিশেষ বিখ্যাত উপন্যাস বা নাটকের চরিত্র সম্পর্কিত, যেখানে কানাই ও গোকুল চরিত্রগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাহিত্য পাঠের সময় চরিত্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক এবং তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপ্রধান চরিত্রের সংখ্যা বা উপস্থিতি মনোযোগ দিয়ে মনে রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা উপন্যাসে বিভিন্ন চরিত্রের সঙ্গে আসা লাঠিয়াল বা পেয়াদার সংখ্যা প্রায়ই গ্রামীণ সমাজের ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি প্রকাশ করে। ব্যাখ্যা: সাহিত্যিক বিশ্লেষণে এই সংখ্যাগুলো অনেক সময় কাহিনীর মোড় পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র বা শরৎচন্দ্রের উপন্যাসে অনেক সময় জমিদারদের পেয়াদা বা বরকন্দাজদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ থাকে। ব্যাখ্যা: এটি তৎকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ মূল সাহিত্যকর্মে কানাইয়ের সঙ্গে ঠিক তিনজন পেয়াদা আসার কথা উল্লেখ রয়েছে। B) চার — চার সংখ্যাটি ভুল কারণ মূল কাহিনীর বিবরণে পেয়াদার সংখ্যা চারজন বলা হয়নি। C) পাঁচ — পাঁচ সংখ্যাটি সঠিক নয় এবং এটি প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট কাহিনীর সঙ্গে মেলে না। D) ছয় — ছয় সংখ্যাটি ভুল কারণ পেয়াদার সংখ্যা এর চেয়ে কম ছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: কানাই ও গোকুল সংক্রান্ত প্রশ্নের ক্ষেত্রে সংখ্যা মনে রাখার জন্য চরিত্রগুলোর নাম একসঙ্গে লিখে সংখ্যাটি নোট করে রাখতে পারো। সাহিত্যিক চরিত্রভিত্তিক ছোট তথ্যগুলো খাতায় আলাদা করে লিখে বারবার চর্চা করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের চরিত্র ও তাদের আনুষঙ্গিক তথ্যের ওপর প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই ধরনের প্রশ্ন উত্তরের জন্য মূল গ্রন্থ ভালোভাবে পাঠ করার বিকল্প নেই।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0