প্রশ্নের বর্ণনা

a ‘বিলাসী’ গল্পে বিলাশীর
b ‘বিলাসী’ গল্পে মৃত্যুঞ্জয়ের
c ‘অপরিচিতা’ গল্পে অনুপমের
d ‘গৃহ’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিকের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ‘অপরিচিতা’ গল্পে অনুপমের ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি রবীন্দ্রসাহিত্য বা বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোটগল্প ‘অপরিচিতা’-র কথক ও প্রধান চরিত্র অনুপমের বয়সের জবানবন্দি। - গল্পটির শুরুতে অনুপম নিজেই তার অতীত ও বর্তমান বয়সের ব্যবধান এবং জীবনের একটি বিশেষ মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এই বয়সদ্বয়ের কথা উল্লেখ করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং যুগান্তরকারী সাহিত্যিক যিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছেন। - ‘অপরিচিতা’ গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে (বাংলা ১৩২৪ বঙ্গাব্দ) ‘সবুজপত্র’ পত্রিকায় এবং পরবর্তীতে তার বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন ‘গল্পগুচ্ছ’-এ অন্তর্ভুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার বয়স তখন মাত্র চব্বিশ বছর ছিল এবং আমি সবেমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাধি অর্জন করে কর্মজীবনে প্রবেশ করেছিলাম। ব্যাখ্যা: এটি কথাসাহিত্যে চরিত্রের বয়স প্রকাশের একটি সাধারণ বিবরণ যা গল্পের প্রেক্ষাপট তৈরিতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: আজ হইতে ঠিক আট বছর আগের কথা যখন আমার জীবনের প্রথম রেলভ্রমণের অভিজ্ঞতা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি কোনো সাহিত্যকর্মে অতীত স্মৃতিচারণ ও বয়স বা সময় গণনার আরেকটি শৈল্পিক প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ‘বিলাসী’ গল্পে বিলাশীর — বিলাসী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ছোটগল্পের নারী চরিত্র যার বয়স বা এই ধরনের কোনো বয়সের জবানবন্দি গল্পে নেই। B) ‘বিলাসী’ গল্পে মৃত্যুঞ্জয়ের — মৃত্যুঞ্জয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী’ গল্পের প্রধান পুরুষ চরিত্র যার বয়স নিয়ে এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি বলা হয়নি। D) ‘গৃহ’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিকের — ‘গৃহ’ প্রবন্ধটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি সামাজিক প্রবন্ধ যেখানে প্রাবন্ধিক গৃহ ও গৃহিণীর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন, এই উদ্ধৃতি সেখানে নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: অপরিচিতা গল্পের প্রথম লাইনটি মনে রাখলে বয়স দুটি সহজে মনে থাকে যেখানে বলা হয়েছে তখন আমার বয়স ছিল তেইশ এখন হইয়াছে সাতাশ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘অপরিচিতা’ গল্পের কথক অনুপমের বয়স কত ছিল বা এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি কোন গল্পের, তা প্রায়ই বহুনির্বাচনী প্রশ্নে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0