প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯৫৮
b ১৯৫৯
c ১৯৬০
d ১৯৬১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬০ ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত লালসালু উপন্যাসের উর্দু অনুবাদ করাচি থেকে ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। - এই অনুবাদের মাধ্যমে উপন্যাসটি তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের পাঠকদের কাছে পরিচিত লাভ করে এবং এর আন্তর্জাতিক পরিচিতির পথ প্রশস্ত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসের ধারায় মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার এক অনন্য রূপকার। - লালসালু তার প্রথম প্রকাশিত এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস, যা ১৯৪৮ সালে রচিত ও ১৯৪৯ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালসালু উপন্যাসের ফরাসি অনুবাদ প্রকাশিত হয় ১৯৬১ সালে। ব্যাখ্যা: লেখক নিজে এই ফরাসি অনুবাদ করেছিলেন, যার নাম ছিল L Arbre sans Racines। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অপর বিখ্যাত উপন্যাস চাঁদের অমাবস্যা প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে। ব্যাখ্যা: এটি তার দ্বিতীয় উপন্যাস, যা গ্রামীণ সমাজের অপরাধবোধ ও মনস্তত্ত্বের ওপর আবর্তিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৮ — এই সালে করাচি থেকে লালসালুর উর্দু অনুবাদ প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১৯৫৯ — এই সালে করাচি থেকে লালসালুর উর্দু অনুবাদ প্রকাশিত হয়নি, এটি সঠিক প্রকাশকাল নয়। C) ১৯৬০ — এটি সঠিক সাল, এই সালেই করাচি থেকে উপন্যাসটির উর্দু সংস্করণ প্রকাশিত হয়। D) ১৯৬১ — এই সালে করাচি থেকে উর্দু অনুবাদ নয়, বরং প্যারিস থেকে ফরাসি অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: লালসালু উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয় ১৯৬১ সালে এবং উর্দু অনুবাদ প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে। উর্দু অনুবাদ প্রকাশের সালটি মনে রাখতে সংখ্যা মনে রাখার কৌশল হিসেবে এভাবে ভাবতে পারো যে উপন্যাস প্রকাশের এক দশক পর এটি করাচি থেকে উর্দুতে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের প্রকাশকাল এবং বিভিন্ন ভাষার অনুবাদ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসগুলোর মূল প্রকাশকাল এবং বিদেশি ভাষার অনুবাদগুলোর সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0