প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b আবুল ফজল
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - উক্তিটি বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের একটি অমর সংলাপ। - সমাজের নিচুতলার মানুষের খারাপ আচরণের জবাবে ভালো মানুষ তার নৈতিকতা হারাবেন কেন, এই প্রশ্নটিই এখানে করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের প্রথম সার্থক রূপকার এবং আধুনিক উপন্যাসের জনক। - কপালকুণ্ডলা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত তার দ্বিতীয় রোমান্টিক উপন্যাস যেখানে নবকুমার ও কপালকুণ্ডলার পত্নীজীবনের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের আরেকটি বিখ্যাত উক্তি হলো হেনাকুণ্ডলে কি মৃণালিনী জন্মিতে পারে। ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র তার উপন্যাসের চরিত্রগুলোর মুখে এমন নাটকীয় ও দার্শনিক সংলাপ ব্যবহার করতেন যা চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ উপন্যাসের চরিত্র সূর্যমুখী ও কুন্দনন্দিনী। ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস হলো বিষবৃক্ষ যা ১৮৭৪ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জনপ্রিয় প্রবাদতুল্য উক্তিটি তার কপালকুণ্ডলা উপন্যাস থেকে নেওয়া হয়েছে। B) আবুল ফজল — তিনি আধুনিক যুগের একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হলেও এই অমর উপন্যাসের রচয়িতা নন। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বিশ শতকের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও এই বিশেষ উক্তিটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। D) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও এই সংলাপটি তার কোনো গ্রন্থভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন এই গভীর দার্শনিক উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কপালকুণ্ডলা উপন্যাস থেকে এসেছে। - উপন্যাস ও লেখকের নাম মনে রাখতে বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিভিন্ন উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্র ও উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - কপালকুণ্ডলা উপন্যাসটি রোমান্টিক ধারার উপন্যাস হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0