প্রশ্নের বর্ণনা

a পল্লীকবি
b কাকু-কবি
c কবি-শ্রেষ্ঠ
d বিশ্বকবি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাকু-কবি ১. কেন সঠিক: - বালুচর কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন কবি ও সাহিত্যিক কায়কোবাদ এবং তাকে বাংলা সাহিত্যে কাকু-কবি উপাধিতে ভূষিত করা হয়। - কাকু শব্দটি মূলত কায়কোবাদের ছদ্মনাম বা তার নামের সংক্ষিপ্ত ও বিশেষ রূপ থেকে এসেছে যা তার সাহিত্যকর্মে পরিচিতি লাভ করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কায়কোবাদ ছিলেন আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান মুসলিম কবি যিনি মূলত মহাকাব্য রচনার জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। - তার প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরেশী এবং তার মহাকাব্য মহাশ্মশান তাকে বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে অমর করে রেখেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্মশান মহাকাব্য ব্যাখ্যা: এটি কায়কোবাদের সবচেয়ে বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক মহাকাব্য যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: কুसुমকানন কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি কবি কায়কোবাদের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা তার সাহিত্যজীবনের প্রাথমিক রচনার নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পল্লীকবি - এটি জসীমউদ্দীনের উপাধি কারণ তিনি তার কবিতায় বাংলার পল্লীপ্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবন সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। C) কবি-শ্রেষ্ঠ - এটি কোনো নির্দিষ্ট একক কবির ঐতিহাসিক সার্বজনীন উপাধি নয় বরং এটি সাধারণ প্রশংসাসূচক শব্দ। D) বিশ্বকবি - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বজনস্বীকৃত বিশ্বজোড়া খ্যাতির কারণে প্রদত্ত অনন্য আন্তর্জাতিক উপাধি। ৫ মনে রাখার টিপস: - কায়কোবাদ নামের প্রথম অক্ষর ক এবং কাকু-কবি নামের প্রথম অক্ষর ক মিলে এই দুটি সহজেই মনে রাখা যায়। - বালুচর কাব্য দেখলে মনে রাখবে এটি কায়কোবাদের এবং কায়কোবাদ মানেই কাকু-কবি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম বা উপাধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে তাই কবিদের উপাধিগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে। - কায়কোবাদের প্রকৃত নাম এবং তার বিখ্যাত মহাকাব্য মহাশ্মশানের নাম বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0