প্রশ্নের বর্ণনা

a পত্র, কেষ্ট, ডাব, সমুদ্র
b সূর্য, চন্দ্র, সাপ, গিন্নি
c আকাশ, বৃক্ষ, ধর্ম, মস্তক
d টোপোর, বসুন্ধরা, নক্ষত্র, অনল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আকাশ, বৃক্ষ, ধর্ম, মস্তক ১. কেন সঠিক: - তৎসম শব্দের অর্থ তাহার সমান অর্থাৎ সংস্কৃতির সমান বা অপরিবর্তিত সংস্কৃত শব্দ। - যে সব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দ চেনার কিছু সাধারণ উপায় হলো এতে যুক্তাক্ষর ঋ কার ষ মূর্ধন্যণ্য ক্ষ ইত্যাদি বেশি থাকে। - যেমন আকাশ বৃক্ষ ধর্ম মস্তক শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এদের বানান ও রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ চাঁদ এবং এটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে। উদাহরণ ২: নদী ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পত্র, কেষ্ট, ডাব, সমুদ্র — এই অপশনে কেষ্ট তৎভব শব্দ এবং ডাব একটি দেশি শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক নয়। B) সূর্য, চন্দ্র, সাপ, গিন্নি — এই অপশনে সাপ অর্ধতৎসম বা তদ্ভব এবং গিন্নি বিদেশি শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক নয়। C) আকাশ, বৃক্ষ, ধর্ম, মস্তক — এই অপশনের সবগুলো শব্দই সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে তাই এটি সঠিক। D) টোপোর, বসুন্ধরা, নক্ষত্র, অনল — এই অপশনে টোপোর একটি দেশি শব্দ হওয়ায় এই সেটটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তৎসম শব্দ চেনার জন্য শব্দের বানান খেয়াল করবে কারণ এতে ঋ কার এবং যুক্তবর্ণ যেমন ক্ষ ষ্ণ ম্ত বেশি থাকে। - সংস্কৃত গ্রন্থ বা শ্লোকে যেসব শব্দ সরাসরি পাওয়া যায়, সেগুলোর প্রায় সবই তৎসম শব্দ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই তৎসম তদ্ভব দেশি ও বিদেশি শব্দের পার্থক্য ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে। - কোনো শব্দে ঋ কার বা যুক্তক্ষ থাকলে সাধারণত সেটি তৎসম শব্দ হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0