প্রশ্নের বর্ণনা

a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে কাজী নজরুল ইসলামকে 'বিদ্রোহী কবি' উপাধি কে দিয়েছিলেন তা জানতে চাওয়া হয়েছে। প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী কাজী নজরুল ইসলামকে প্রথম 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের একজন বিদ্রোহী কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত 'বিদ্রোহী' কবিতা প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে স্থায়ী আসন লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি প্রকাশের মাধ্যমেই মূলত তাঁর বিদ্রোহী কবির ইমেজ solidify হয়। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম বীরবল। ব্যাখ্যা: তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতির প্রবর্তক হিসেবে বিশেষভাবে স্মরণীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি নজরুলের বিশিষ্ট শুভানুধ্যায়ী ও স্নেহাস্পদ হলেও এই উপাধি দেননি। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং নজরুলের অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ নজরুলকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং 'বসন্ত' নাটক তাঁকে উৎসর্গ করেছিলেন, কিন্তু এই উপাধি দেননি। D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি কৌতূহলোদ্দীপকভাবে নজরুলকে এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলকে বিদ্রোহী কবি বলা হয় কারণ তাঁর কবিতায় বিদ্রোহের সুর আছে। প্রমথ চৌধুরী নামটির সাথে 'বিদ্রোহী কবি' উপাধির সংযোগ এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রবীণ সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনিই প্রথম এই স্বীকৃতি দেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিকদের উপাধি ও তাঁদের প্রদানকারীদের নাম প্রায়ই আসে। নজরুল সম্পর্কিত অন্যান্য উপাধি যেমন 'দুঃশাসনের কবি' বা 'অগ্নিবীণার কবি' সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0