প্রশ্নের বর্ণনা

a র্যাডক্লিফ লাইন
b গ্রীন লাইন
c ডুরান্ড লাইন
d ব্লু লাইন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্লু লাইন কেন সঠিক: - লেবানন এবং ইসরায়েলের মধ্যকার সীমান্ত নির্ধারণের জন্য ২০০০ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক এই রেখা বা ডিমার্কেশন লাইন টানা হয়। - আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই রেখাটি এই দুই দেশের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ সীমান্ত সমস্যা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) র্যাডক্লিফ লাইন — এটি ভারত ও পাকিস্তান তথা তৎকালীন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সীমান্ত রেখা হিসেবে পরিচিত। B) গ্রীন লাইন — এটি মূলত ইসরায়েল এবং তার প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার ১৯৬৭ সালের আগের যুদ্ধবিরতি রেখাকে বোঝায়। C) ডুরান্ড লাইন — এটি পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত রেখা হিসেবে নির্ধারিত। D) ব্লু লাইন — এটি লেবানন এবং ইসরায়েলের মধ্যকার বর্তমান সীমান্ত রেখা হিসেবে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: ইসরায়েল ও লেবানন সীমান্তে শান্তির জন্য জাতিসংঘের নীল পতাকা বা ব্লু কালার মনে রাখলেই ব্লু লাইন সহজে মনে থাকবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a শামীম সিকদার
b সৈয়দ আব্দুল্লাহ খান
c হামিদুজ্জামান খান
d আব্দুস সুলতান
0 151 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হামিদুজ্জামান খান কেন সঠিক: - প্রখ্যাত ভাস্কর হামিদুজ্জামান খানের শিল্পকর্ম ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিক গেমসের আন্তর্জাতিক ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে স্থান পায়। - তার এই শিল্পকর্ম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শিল্পকলার প্রতিনিধিত্ব করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামীম সিকদার — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও সিউল অলিম্পিকের এই প্রদর্শনীতে তার শিল্পকর্ম স্থান পায়নি। B) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খান — তিনি এই নির্দিষ্ট অলিম্পিক প্রদর্শনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) হামিদুজ্জামান খান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) আব্দুস সুলতান — তিনি এই আন্তর্জাতিক ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে অংশ নেননি। মনে রাখার টিপস: সিউল অলিম্পিকে ভাস্কর্য প্রদর্শনের ক্ষেত্রে হামিদুজ্জামান খানের নাম মনে রাখবে।
a নিউইয়র্ক
b ওয়াশিংটন ডিসি
c জেনেভা
d হেগ
0 142 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওয়াশিংটন ডিসি কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বসংস্থা এবং এর মূল সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি শহরে অবস্থিত। - বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর একই শহরে অবস্থিত হওয়ায় এটি অর্থনীতি বিষয়ক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, আইএমএফের নয়। B) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি আইএমএফের সঠিক সদর দপ্তর। C) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ডব্লিউটিও (WTO)-এর সদর দপ্তর। D) হেগ — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ)-এর সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: টাকা-পয়সা ও মুদ্রার হিসাব রাখার বড় সংস্থাগুলোর (বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ) সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
a রিয়াদ
b জেদ্দা
c দামেস্ক
d মক্কা
0 144 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেদ্দা কেন সঠিক: - ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (OIC) বর্তমান সচিবালয় সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে অবস্থিত। - ১৯৬৯ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জেদ্দায় এর প্রধান সচিবালয় পরিচালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিয়াদ — এটি সৌদি আরবের রাজধানী হলেও ওআইসি সচিবালয়ের অবস্থান এখানে নয়। B) জেদ্দা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওআইসি সচিবালয় এই শহরে অবস্থিত। C) দামেস্ক — এটি সিরিয়ার রাজধানী এবং এর সঙ্গে ওআইসি সচিবালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। D) মক্কা — এটি পবিত্র নগরী হলেও ওআইসি সচিবালয় এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: ওআইসি সচিবালয় সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় অবস্থিত, রাজধানী রিয়াদে নয়।
a ড.রমেশচনদ্র মজুমদার
b ড.মাহমুদ হাসান
c ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
d স্যার এ এফ রহমান
0 224 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) স্যার এ এফ রহমান কেন সঠিক: - স্যার এ এফ রহমান হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি ও উপমহাদেশীয় উপাচার্য। - তিনি ১৯৩৪ সাল থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, তবে প্রথম বাঙালি বা উপমহাদেশীয় নন। B) ড. মাহমুদ হাসান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপাচার্য ছিলেন, তবে প্রথম উপমহাদেশের নাগরিক নন। C) ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তবে প্রথম নন। D) স্যার এ এফ রহমান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: উপমহাদেশের মানুষ হিসেবে প্রথম রহমান সাহেব (স্যার এ এফ রহমান) ঢাবির উপাচার্য হন।
a আয়োডিন
b লৌহ
c ভিটামিন
d ক্যালসিয়াম
0 149 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লৌহ কেন সঠিক: - কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন বা লৌহ থাকে যা মানবদেহে রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। - এটি রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী একটি পুষ্টিকর শাক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়োডিন — আয়োডিন প্রধানত সামুদ্রিক মাছ, আয়োডিনযুক্ত লবণ ও শৈবালে বেশি থাকে, কচু শাকে এর পরিমাণ খুব কম। B) লৌহ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কচু শাকে অন্য যেকোনো উপাদানের চেয়ে লোহা বা আয়রনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। C) ভিটামিন — কচু শাকে ভিটামিন এ, বি ও সি থাকলেও এই শাকটি মূলত লৌহের শ্রেষ্ঠ উৎস হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। D) ক্যালসিয়াম — ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও কচু শাকে ক্যালসিয়ামের চেয়ে লোহা বা আয়রনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে। মনে রাখার টিপস: রক্ত শূন্যতা দূর করতে শাকসবজির মধ্যে কচু শাকের জুড়ি নেই কারণ এতে সবচেয়ে বেশি লৌহ থাকে।