প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c জসীমউদ্দীন
d সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: 'শেষ লেখা' হলো বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর প্রকাশিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ। মৃত্যুর কিছুদিন পূর্বে রচিত তাঁর অন্তিম কাব্যানুভূতির পঙ্‌ক্তিমালা এই গ্রন্থের মূল বিষয়বস্তু হিসেবে স্থান পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের কালজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মরণোত্তর কাব্যগ্রন্থ। ১৯৪১ সালে কবির মৃত্যুর পর এই সংকলনটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং এর বেশিরভাগ কবিতাই তাঁর শেষ অসুস্থতার বিছানায় শুয়ে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'রোগশয্যায়' ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পূর্বে রচিত এবং মরণোত্তর প্রকাশিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'জন্মদিন' ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের শেষ পর্যায়ে রচিত এবং তাঁর অন্তিম পর্বের কবিতার অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁরই শেষ জীবনের সৃষ্টি। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও 'শেষ লেখা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। C) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে খ্যাত এবং তাঁর লেখার ধরণ ও বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ আলাদা। D) সুফিয়া কামাল — তিনি বিশ শতকের অন্যতম প্রথিতযশা নারী কবি এবং তাঁর সাহিত্যকর্মের ধারা ভিন্ন। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তাঁর শেষের দিকের রচনাগুলোতে জীবনাবসানের সুর এবং মৃত্যুর ঠিক আগের ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে। তাই 'শেষ লেখা' নামটি দেখলে চোখ বন্ধ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম মনে করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ কাব্যগ্রন্থ বা মৃত্যুর পর প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে। তাঁর মরণোত্তর প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থ যেমন 'রোগশয্যায়' এবং 'জন্মদিন' সম্পর্কেও সম্যক ধারণা রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0