প্রশ্নের বর্ণনা

a ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
b রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
c কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
d রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ১. কেন সঠিক: - কবি জসীমউদ্দীনকে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করেছিল ভারতের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। - পল্লীকবি হিসেবে খ্যাত এই বাংলা সাহিত্যিকের সামগ্রিক সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ এই উপাধি দেওয়া হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যের পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশি কাঁথার মাঠ। - তিনি আধুনিক বাংলা কবিতায় পল্লিপ্রকৃতি ও মানুষের জীবন ফুটিয়ে তোলার জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কবি জসীমউদ্দীনকে সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করা হয় ১৯৭৪ সালে। ব্যাখ্যা: এটি তার সাহিত্য সাধনার আরেকটি বড় প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি। উদাহরণ ২: জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সোজন বাদিয়ার ঘাট। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটিও পল্লিজীবনের ট্র্যাজেডি ও প্রেমের অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবি জসীমউদ্দীনকে সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি ১৯৭৪ সালে প্রদান করেছিল, কিন্তু প্রশ্নটি ডিলিট উপাধির অন্য একটি বিশেষ প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির সাথে সম্পর্কিত। B) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় — রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কবি জসীমউদ্দীনকে ডিলিট উপাধি প্রদান করেনি। C) কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় — কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি মূলত ১৯৩১ সালে এমএ ডিগ্রি লাভ করেছিলেন, ডিলিট উপাধি এখান থেকে পাননি। D) রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় — রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবি জসীমউদ্দীনকে সম্মানসূচক ডিলিট উপাধি প্রদান করেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্দীনের রবীন্দ্রসংগীত বা রবীন্দ্র-অনুসারী ধারা না হলেও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডিলিট উপাধি দিয়ে সম্মানিত করে। - কবি জসীমউদ্দীনের ডিলিট উপাধির ক্ষেত্রে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় নামটি মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের প্রাপ্ত বিভিন্ন সম্মাননা ও উপাধি প্রায়ই আসে। - পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের সাহিত্যকর্ম এবং তার প্রাপ্ত ডিগ্রিগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0