প্রশ্নের বর্ণনা

a হাফিজ
b কাজী নজরুল ইসলাম
c মির্জা গালিব
d শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' হলো বিশ্বখ্যাত ফার্সি কবি ও গণিতবিদ ওমর খৈয়ামের রুবাই বা চতুর্দশপদী কবিতার বঙ্গানুবাদ। - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এডওয়ার্ড ফিটজেরাল্ডের ইংরেজি অনুবাদ অবলম্বনে এই অনবদ্য গ্রন্থটি বাংলায় রূপান্তর করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সংগীতজ্ঞ ও অনুবাদক ছিলেন। - তার অনূদিত গ্রন্থ 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি ফার্সি সংস্কৃতির সঙ্গে বাঙালি পাঠকের পরিচয় করিয়ে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা করে। উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও প্রগতিশীল কাব্যগ্রন্থ, যা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাফিজ — হাফিজ একজন প্রখ্যাত ফার্সি কবি, যার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'দিওয়ান-ই-হাফিজ', কিন্তু তিনি ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াত অনুবাদ করেননি। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি ইংরেজি অনুবাদ থেকে 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' বাংলায় সফলভাবে অনুবাদ করেছেন। C) মির্জা গালিব — মির্জা গালিব উর্দু ও ফার্সি ভাষার বিখ্যাত কবি, যিনি গজলের জন্য পরিচিত এবং এই অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত নন। D) শামসুর রাহমান — শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি ও অনুবাদক হলেও তিনি এই গ্রন্থটি অনুবাদ করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াত বা চতুষ্পদী কবিতার অনুবাদ করেছেন আমাদের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি ফার্সি সাহিত্যের প্রেম ও দর্শনের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে এই অনুবাদকর্ম সম্পন্ন করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনূদিত গ্রন্থ ও লেখকের নাম প্রায়ই আসে, তাই বিদেশি সাহিত্যিকের বাংলা অনুবাদগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। - একই সঙ্গে নজরুলের অন্যান্য অনুবাদ গ্রন্থ যেমন 'মর্মবাণী' বা 'মরুভাস্কর' সম্পর্কিত তথ্যও মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0