প্রশ্নের বর্ণনা

a Text: ১৯২৫
b Text: ১৯২৬
c Text: ১৯২৭
d Text: ১৯২৮
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৬ ১. কেন সঠিক: বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সংগঠনের হাত ধরেই মূলত বাংলা সাহিত্য ও সমাজে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন দানা বেঁধে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিল শিখা পত্রিকা যার মূল স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। আবুল হোসেন, কাজী আবদুল ওদুদ এবং কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিখা পত্রিকা ব্যাখ্যা: বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান মুখপত্র হিসেবে এই পত্রিকা তৎকালীন সমাজে মুক্তচিন্তা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: মুসলিম সাহিত্য সমাজ ব্যাখ্যা: ১৯২৬ সালে গঠিত এই সংগঠনের মাধ্যমে মুক্তবুদ্ধি চর্চার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৫ — এই সালে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন বা মুসলিম সাহিত্য সমাজ গঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১৯২৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন শুরু হয়। C) ১৯২৭ — এই সালে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন শুরু হয়নি, যদিও এই সময়ে শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয়। D) ১৯২৮ — এটি আন্দোলন শুরুর সাল নয়, বরং আন্দোলনের বিকাশের একটি বছর। ৫ মনে রাখার টিপস: বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন মানেই ১৯২৬ সাল এবং মুসলিম সাহিত্য সমাজ। শিখা পত্রিকার জন্মের সালটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাকাল প্রায়ই আসে। আন্দোলনের মূল স্লোগান এবং এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0