প্রশ্নের বর্ণনা

a আহ্বান
b অপরাজিতা
c নেকলেস
d আমার পথ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপরাজিতা ১. কেন সঠিক: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপরাজিতা উপন্যাসে মানুষের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও জীবনের সংগ্রামই মুখ্য হয়ে উঠেছে যেখানে বিত্ত বা বাহ্যিক সম্পদ মানুষের প্রকৃত পরিচয় গড়ে তোলে না। - বিত্ত-বৈভব ক্ষণস্থায়ী কিন্তু মানুষের নৈতিক চরিত্র মানবিক গুণাবলী এবং আত্মমর্যাদাই তার প্রকৃত পরিচয় হিসেবে সমাজে ও জীবনে স্থায়ী রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অপরাজিতা হলো কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তার অপর শাহেনশাহ সৃষ্টি পথের পাঁচালীর পরবর্তী পর্ব। - এই উপন্যাসে অপু চরিত্রের জীবন সংগ্রাম শিক্ষা অর্জন এবং প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করার মাধ্যমে মানুষের আসল মর্যাদা ও প্রকৃত পরিচয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পথের পাঁচালী ব্যাখ্যা: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসেও অপু ও দুর্গার গ্রামীণ দারিদ্র্যের মাঝেও মনের প্রাচুর্য এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর প্রেমের মাধ্যমে মানুষের প্রকৃত রূপ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: আমার পথ ব্যাখ্যা: কাজী নজরুলের এই প্রবন্ধে আত্মশক্তি ও অহংকারহীন সত্যের প্রকাশকে মানুষের প্রকৃত পরিচয় বলা হয়েছে যেখানে বিত্তের কোনো স্থান নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহ্বান — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ছোটগল্পে বিত্ত-বৈভবের চেয়ে মানুষের অন্তরের মমতা গ্রামীণ সম্পর্ক এবং বুড়ির সঙ্গে লেখকের আত্মিক সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে। B) অপরাজিতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে অপুর জীবন সংগ্রামের মাধ্যমে বিত্তের ঊর্ধ্বে মানুষের প্রকৃত স্বকীয়তা ও পরিচয় প্রমাণিত হয়েছে। C) নেকলেস — গি ডি মোপাসার এই বিশ্বখ্যাত গল্পে মেমোর কৃত্রিম বিত্ত-বৈভবের অহংকার এবং মিথ্যা আভিজাত্যের মোহ কীভাবে জীবনকে ধ্বংস করে তা দেখানো হয়েছে। D) আমার পথ — কাজী নজরুল ইসলামের এই প্রবন্ধে আত্মনির্ভরতা ও সত্যের পূজার কথা বলা হয়েছে যা বিত্ত-বৈভবের ধারণার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা একটি চেতনা। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপরাজিতা উপন্যাসে অপু চরিত্রটির সংগ্রাম মনে রাখবে যার মাধ্যমে বিত্তহীন থেকেও মানুষ জীবনের উচ্চ শিখরে পৌঁছাতে পারে এবং প্রকৃত পরিচয় তৈরি করতে পারে। - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসে প্রকৃতি ও মানুষের সরল জীবনবোধের পাশাপাশি মানুষের আত্মমর্যাদাবোধ প্রধান থিম হিসেবে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অপরাজিতা উপন্যাসটি পথের পাঁচালী উপন্যাসের সিক্যুয়েল বা পরবর্তী অংশ হিসেবে রচিত হয়েছে এবং এর লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের মূল ভাব বা চরিত্রের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য থেকে প্রায়ই এই ধরনের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0