প্রশ্নের বর্ণনা

a ৪০ বছর
b ৪১ বছর
c ৪২ বছর
d ৪৩ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৩ বছর ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলাম মাত্র ৪৩ বছর বয়সে ১৯৪২ সালে মানসিক ভারসাম্য ও বাকশক্তি সম্পূর্ণরূপে হারিয়ে ফেলেন। - অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে তিনি চিরতরে তাঁর অমূল্য কণ্ঠস্বর ও সাহিত্যচর্চা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও সংগীতজ্ঞ ছিলেন। - তাঁর জীবনের প্রথমার্ধ ছিল প্রচণ্ড সৃষ্টিশীল ও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয়, আর শেষ জীবন কেটেছে দীর্ঘ রোগশয্যায় নির্বাক অবস্থায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং তাঁর সাহিত্যজীবনের এক মাইলফলক। উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও প্রগতিশীল কাব্যগ্রন্থ, যা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪০ বছর — এই বয়সে কবি বাকশক্তি হারাননি, কারণ তাঁর অসুস্থতা শুরু হয় আরও পরে ১৯৪২ সালের জুলাই মাসে। B) ৪১ বছর — এই বয়সটিও সঠিক নয়, কারণ জন্মসাল ও অসুস্থতার সাল হিসাব করলে এই সংখ্যাটি মেলে না। C) ৪২ বছর — এটিও ভুল বয়স, কারণ তিনি ১৮৯৯ সালে জন্মেছিলেন এবং ১৯৪২ সালে অসুস্থ হন। D) ৪৩ বছর — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ১৮৯৯ থেকে ১৯৪২ সাল হিসাব করলে তাঁর বয়স ৪৩ বছর হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের জন্ম ১৮৯৯ সালে এবং বাকশক্তি হারানোর সাল ১৯৪২। - সাল দুটি মনে রাখলে বিয়োগ করে সহজেই ৪৩ বছর বয়স বের করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের জীবনের এই ট্র্যাজিক ঘটনা এবং তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম খুব প্রায়ই আসে। - সাহিত্যিকদের জন্মসাল, মৃত্যুসাল এবং জীবনের উল্লেখযোগ্য বাঁকগুলো মনে রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0