প্রশ্নের বর্ণনা

a সূর্যোদয়
b সূর্যাস্ত
c তারার ঝলকানি
d জোনাকির আলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সূর্যোদয় ১. কেন সঠিক: - জীবনানন্দ দাশের 'সুচেতনা' কবিতায় শাশ্বত রাত্রির অন্ধকারের বুক চিরে নতুন ভোরের সূর্যোদয়ের কথা বলা হয়েছে। - কবি দীর্ঘকালের মানবসভ্যতার ক্লান্তি, যুদ্ধ ও অন্ধকারের পর সুন্দরের আগমন এবং আশার আলো হিসেবে সূর্যোদয়কে বুঝিয়েছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'সুচেতনা' আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কবিতা। - এই কবিতাটি তার 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এতে কবির গভীর জীবনদর্শন ও ইতিহাসচেতনা প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি 'সুচেতনা' কবিতাটি। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশের 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য ও স্বদেশের প্রতি ভালোবাসা এই কাব্যগ্রন্থের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূর্যোদয় — সঠিক উত্তর, যা কবিতার মূল ভাব আশার আলোর সঙ্গে মিলে যায়। B) সূর্যাস্ত — এটি সমাপ্তি বা শেষের প্রতীক, যা কবিতার আশাবাদী চেতনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) তারার ঝলকানি — এটি রাতের আকাশের স্বাভাবিক রূপ, কিন্তু কবিতার মূল বার্তা হলো অন্ধকার ভেদ করে নতুন আলোর প্রকাশ। D) জোনাকির আলো — এটি ক্ষীণ বা কৃত্রিম আলোর প্রতীক, যা শাশ্বত রাত্রির বুকে কাঙ্ক্ষিত বিশাল সূর্যোদয়ের সমতুল্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশের সুচেতনা কবিতায় রাত মানে ক্লান্তি আর সূর্যোদয় মানে নতুন আশার আলো। - কবিতার নাম সুচেতনা মনে রাখলেই এর আশাবাদী বার্তা হিসেবে সূর্যোদয়কে সহজেই মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের কবিতা থেকে প্রায়ই চরণ বা মূলভাব সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - কবি পরিচিতি এবং কাব্যগ্রন্থের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের সাহিত্য বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0