প্রশ্নের বর্ণনা

a বাঙালি আদর্শ ও জীবনবোধ
b প্রাকৃত আদর্শ ও জীবনবোধ
c ইসলামি আদর্শ ও জীবনবোধ
d বাঙালি মিথের পুনরুজ্জীবন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইসলামি আদর্শ ও জীবনবোধ ১. কেন সঠিক: ফররুখ আহমদের কবিতায় মূলত ইসলামি ইতিহাস ঐতিহ্য এবং মুসলিম সংস্কৃতির গভীর জীবনবোধ প্রকাশ পেয়েছে। তার কাব্যে মানবতাবাদ এবং ইসলামি পুনর্জাগরণের সুর অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে ধ্বনিত হয়েছে যা তাকে বাংলা সাহিত্যে স্বতন্ত্র স্থান দিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ফররুখ আহমদ ছিলেন বিশ শতকের বাঙালি মুসলিম কবি যিনি মুসলিম রেনেসাঁ বা নবজাগরণের কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত। তার কবিতায় আরব ফার্সি শব্দের শিল্পসম্মত ব্যবহার এবং ইসলামি মিথের সফল প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থে ইসলামি ঐতিহ্য ও মুসলিম জাতির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের পুনরুজ্জীবন ঘটেছে। উদাহরণ ২: হাতেম তাই কাব্যনাট্য। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা যেখানে নৈতিকতা মানবতা এবং ইসলামি সংস্কৃতির আদর্শ প্রতিফলিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঙালি আদর্শ ও জীবনবোধ — এই অপশনটি ভুল কারণ ফররুখ আহমদ মূলত ইসলামি আদর্শকে তার কাব্যের মূল সুর হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। B) প্রাকৃত আদর্শ ও জীবনবোধ — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রাকৃত জীবনবোধ বা প্রাকৃত ভাষা তার সাহিত্যের প্রধান বিষয় ছিল না। C) ইসলামি আদর্শ ও জীবনবোধ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি কবির সাহিত্যকর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য। D) বাঙালি মিথের পুনরুজ্জীবন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক নয় কারণ তিনি বাঙালি মিথের চেয়ে ইসলামি মিথ ও ঐতিহ্য নিয়ে বেশি কাজ করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: ফররুখ আহমদ মানেই ইসলামি রেনেসাঁ ও সাত সাগরের মাঝি। পরীক্ষায় তার নাম দেখলে ইসলামি আদর্শ ও জীবনবোধ এবং সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থের কথা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফররুখ আহমদকে মুসলিম রেনেসাঁসের কবি বলা হয়। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সাত সাগরের মাঝি এবং মুহূর্তের কবিতা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0