প্রশ্নের বর্ণনা

a ৬টি
b ৭টি
c ৮টি
d ৯টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯টি ১. কেন সঠিক: - মেঘনাদবধ কাব্যে মোট ৯টি সর্গ রয়েছে এবং এটি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা মহাকাব্য। - রামায়ণের লঙ্কাকাণ্ডের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও কবি এতে রামের পরিবর্তে রাবণ ও মেঘনাদের পক্ষ অবলম্বন করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সর্গভিত্তিক মহাকাব্য প্রবর্তন করেন। - ১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই মহাকাব্যে কোনো অন্ত্যমিল বা পদ্যের শেষে মিল রাখার বাধ্যবাধকতা ছিল না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম সর্গ: অভিষেক ব্যাখ্যা: মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গের নাম অভিষেক যেখানে রাবণপুত্র মেঘনাদকে লঙ্কার সেনাপতি হিসেবে বরণ করার ঘটনা আছে। উদাহরণ ২: ষষ্ঠ সর্গ: বধ ব্যাখ্যা: ষষ্ঠ সর্গের নাম বধ যেখানে রামের পক্ষে বিভীষণ ও লক্ষ্মণের হাতে বীর মেঘনাদ নিহত হন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬টি — এটি ভুল কারণ মেঘনাদবধ কাব্যে ৬টি সর্গ ছিল না বরং এর সর্গসংখ্যা আরও বেশি। B) ৭টি — এটি ভুল কারণ অনেক মহাকাব্যে সর্গ সংখ্যা ৭টি হলেও মেঘনাদবধ কাব্যে তা নয়। সি) ৮টি — এটি ভুল কারণ কবি এই মহাকাব্যটিকে ৮টি সর্গে সমাপ্ত করেননি। D) ৯টি — এটি সঠিক কারণ এই কাব্যে সর্গের মোট সংখ্যা ঠিক ৯টি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘনাদবধ কাব্য নামের অক্ষর ও এর সর্গ সংখ্যা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো মধুসূদনের মহাকাব্যটি ৯টি সর্গে পূর্ণ। - মহাকাব্যের সর্গ সংখ্যা মনে রাখতে প্রথম ও শেষ সর্গের নাম এবং মোট সংখ্যা ছক আকারে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মেঘনাদবধ কাব্যের সর্গ সংখ্যা এবং প্রকাশের সাল প্রায়ই আসে। - মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0