প্রশ্নের বর্ণনা

a বান খন্ড
b তাম্বুল খন্ড
c কালিদাস খন্ড
d নৌকা খন্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কালিদাস খন্ড ১. কেন সঠিক: - 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত নয় কালিদাস খন্ড কারণ এই নামের কোনো খন্ড বা অংশ মধ্যযুগের এই প্রাচীন কাব্যে নেই। - এটি চণ্ডীদাস রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শনগুলোর একটি যা মোট তেরোটি খন্ডে বিভক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটির রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস এবং এটি ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে আবিষ্কার করেন। - কাব্যটিতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের বিভিন্ন পর্যায় ফুটিয়ে তোলার জন্য মোট তেরোটি খন্ড বা ভাগে সাজানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জন্ম খন্ড ব্যাখ্যা: এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রথম খন্ড যার মাধ্যমে কাহিনীর সূচনা হয়। উদাহরণ ২: রাধাভার বা বংশী খন্ড ব্যাখ্যা: এই খন্ডগুলোতে রাধার মান এবং কৃষ্ণের বাঁশির প্রভাবে প্রেমের আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান খন্ড — এই খন্ডটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানে কাহিনীর একটি বিশেষ দিক তুলে ধরা হয়েছে। B) তাম্বুল খন্ড — এটি কাব্যটির একটি অন্যতম প্রধান খন্ড যা পান খাওয়ার বা তাম্বুল নিবেদনের ঘটনা নিয়ে রচিত। C) কালিদাস খন্ড — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কোনো খন্ড নয় বরং এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) নৌকা খন্ড — এই খন্ডটি কাব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেখানে যমুনা নদী পারাপারের কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের খন্ডগুলোর নাম মনে রাখার জন্য প্রধান খন্ডগুলো যেমন জন্ম, তাম্বুল, নৌকা ও বংশী খন্ড বারবার চর্চা করতে হবে। - তেরোটি খন্ডের নাম তালিকাভুক্ত করে পড়লে পরীক্ষাকেন্দ্রে সহজে ভুল অপশন চেনা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মোট খন্ড সংখ্যা এবং আবিষ্কারক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন হিসেবে এর তেরোটি খন্ডের নাম মুখস্থ রাখা বাধ্যতামূলক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0