প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রচলিত ডাকমাসুলের দেড়গুণ
b প্রচলিত ডাকমাসুলের দ্বিগুণ
c প্রচলিত ডাকমাসুলের পাঁচগুণ
d দিতে হয় না
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রচলিত ডাকমাসুলের দ্বিগুণ ১. কেন সঠিক: - বেয়ারিং চিঠি বা পার্সেল হলো এমন ডাকযোগাযোগ ব্যবস্থা, যার ডাক মাসুল প্রেরক পরিশোধ না করে প্রাপকের কাছ থেকে আদায় করা হয়। - অপরিশোধিত বা কম পরিশোধিত ডাক টিকিটের কারণে প্রাপককে শাস্তিমূলক বা অতিরিক্ত মাসুল হিসেবে নির্ধারিত পরিমাণের দ্বিগুণ অর্থ পরিশোধ করতে হয়। ২. ব্যাকরণ বা প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা: - এটি দৈনন্দিন সাধারণ জ্ঞান এবং ডাক বিভাগ সংক্রান্ত পারিভাষিক তথ্যের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। - ডাক বিভাগের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অপরিশোধিত চিঠির ক্ষেত্রে এই দ্বিগুণ মাসুল আদায় করার বিধান রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো চিঠির প্রকৃত ডাক মাসুল ১০ টাকা হলে বেয়ারিং চিঠির ক্ষেত্রে প্রাপককে ২০ টাকা পরিশোধ করতে হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রচলিত ডাকমাসুলের দ্বিগুণ নিয়মের সরাসরি প্রয়োগ দেখায়। উদাহরণ ২: একটি অপরিশোধিত পার্সেলের মূল মাসুল ৫০ টাকা হলে ডাক বিভাগ ১০০ টাকা আদায় করবে। ব্যাখ্যা: এখানেও ডাক বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী মাসুল দ্বিগুণ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রচলিত ডাকমাসুলের দেড়গুণ — এই হার ডাক বিভাগের নিয়মে নির্ধারিত নয় এবং এটি ভুল হিসাব। B) প্রচলিত ডাকমাসুলের দ্বিগুণ — এটি সঠিক তথ্য এবং ডাক বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত মাসুল। C) প্রচলিত ডাকমাসুলের পাঁচগুণ — এত বেশি পরিমাণ মাসুল ডাক বিভাগে আদায় করা হয় না। D) দিতে হয় না — বেয়ারিং চিঠির ক্ষেত্রে মাসুল সম্পূর্ণ মওকুফ থাকে না, বরং প্রাপককে তা পরিশোধ করতে হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বেয়ারিং মানেই অতিরিক্ত খরচ, তাই মনে রাখবে এর মাসুল মূল টাকার ঠিক দ্বিগুণ হয়। - অপরিশোধিত ডাক টিকিটের শাস্তি হিসেবে দ্বিগুণ টাকা দিতে হয় এই কথাটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডাক বিভাগ সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞানে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন মুখস্থ রাখার চেয়ে নিয়মটি মনে রাখা বেশি কার্যকর।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0