প্রশ্নের বর্ণনা

a ইংরেজি
b বৈদিক
c ফারসি
d সংস্কৃত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইংরেজি ১. কেন সঠিক: - আধুনিক বাংলা চিঠিপত্র লেখার ফরম্যাট, কাঠামো এবং আনুষ্ঠানিকতা মূলত ইংরেজি চিঠির প্রভাবে বিকশিত হয়েছে। - ব্রিটিশ শাসনকালে দাপ্তরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজের সুবিধার্থে বাংলা চিঠিপত্রে ইংরেজি ধাঁচ অনুসরণের প্রচলন শুরু হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সংক্রান্ত একটি ঐতিহাসিক প্রশ্ন এটি। - ঔপনিবেশিক প্রভাবে বাংলা গদ্য এবং দাপ্তরিক লেখার শৈলীতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনীত নিবেদন এই যে ব্যাখ্যা: এটি ঐতিহ্যগত বাংলা পত্রে ব্যবহৃত একটি সাধারণ বাক্যাংশ, যা মূলত ইংরেজি অফিশিয়াল চিঠির কাঠامোর প্রভাবে দাপ্তরিক রূপ লাভ করেছে। উদাহরণ ২: প্রতি স্বাক্ষর বা কাউন্টার সাইন ব্যাখ্যা: প্রাতিষ্ঠানিক চিঠিপত্রে এই ধারণাটি ইংরেজি প্রশাসনিক সংস্কৃতি থেকে বাংলায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি — এই অপশনটি সঠিক কারণ আধুনিক চিঠিপত্রের কাঠামোগত প্রভাব ইংরেজি ভাষা থেকেই এসেছে। B) বৈদিক — বৈদিক ভাষা প্রাচীন ধর্মীয় আচার ও সংহিতা রচনার সাথে যুক্ত, আধুনিক চিঠিপত্রের সাথে এর সরাসরি প্রভাব নেই। C) ফারসি — সুলতানি ও মুঘল আমলে রাজকীয় দলিলে ফারসি প্রভাব থাকলেও আধুনিক চিঠিপত্রের কাঠামোর পেছনে এর প্রভাব নেই। D) সংস্কৃত — সংস্কৃত প্রাচীন ও ধ্রুপদী ভাষা হলেও আধুনিক প্রাতিষ্ঠানিক চিঠিপত্র রচনার মূল কাঠامোগত প্রভাব সংস্কৃত থেকে আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, আধুনিক যুগে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি ভাষার প্রভাবেই বাংলা চিঠিপত্রের কাঠামো পরিবর্তন হয়েছে। - দাপ্তরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক চিঠি মানেই ব্রিটিশ বা ইংরেজি সংস্কৃতির প্রভাব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার ওপর বিদেশি ভাষার প্রভাব থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - দাপ্তরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিভাষা বা কাঠামোর ক্ষেত্রে সাধারণত ইংরেজি ভাষার প্রভাব বেশি লক্ষ করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0