প্রশ্নের বর্ণনা

a স্বাক্ষর
b শিরোনাম
c পত্রগর্ভ
d সম্বোধন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পত্রগর্ভ ১. কেন সঠিক: একটি চিঠির মূল বক্তব্য বা তথ্য যেখানে প্রকাশ করা হয় তাকে পত্রগর্ভ বলা হয়। পত্র লেখার মূল উদ্দেশ্য তথ্য আদান প্রদান করা এবং এই কাজটি সম্পন্ন হয় পত্রগর্ভের মাধ্যমে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পত্র লিখন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক রচনা। একটি পূর্ণাঙ্গ চিঠির সাধারণত ছয়টি অংশ থাকে যথা শিরোনাম, সম্বোধন, মূল বক্তব্য বা পত্রগর্ভ, সমাপ্তिसूচক শব্দ, স্বাক্ষর এবং তারিখ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যক্তিগত চিঠির মূল অংশে কুশল বিনিময় ও নানা ধরনের পারিবারিক খবর লেখা হয়। ব্যাখ্যা: এই অংশটি না থাকলে চিঠির মূল উদ্দেশ্যই অপূর্ণ থেকে যায়। উদাহরণ ২: প্রাতিষ্ঠানিক চিঠির মূল অংশে ছুটির আবেদন বা কোনো সমস্যার কথা স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়। ব্যাখ্যা: এই বক্তব্য ছাড়া আবেদনপত্রটি তার নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনে ব্যর্থ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বাক্ষর — এটি পত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও এটি কেবল প্রেরকের পরিচয় নিশ্চিত করে এবং এর অনুপস্থিতিতেও চিঠির উদ্দেশ্য বোঝা যেতে পারে। B) শিরোনাম — শিরোনাম প্রাপকের ঠিকানা বহন করে যা ডাকযোগে প্রেরণের জন্য জরুরি হলেও এটি চিঠির ভেতরের ভাব বা উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না। D) সম্বোধন — সম্বোধন প্রাপককে সম্মান বা শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ব্যবহার করা হয় যা পত্রের শুরুতেই থাকে কিন্তু এটি পত্রের মূল উদ্দেশ্য বা বার্তা বহন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: চিঠির গর্ভে বা পেটের ভেতরে যেমন আসল কথাটি লুকিয়ে থাকে, তেমনি চিঠির মূল বক্তব্যও পত্রগর্ভেই থাকে। গর্ভ অর্থ ভেতর, তাই মূল কথা বা উদ্দেশ্য থাকে পত্রগর্ভে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রের অংশবিশেষ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে যে, শিরোনাম বা সম্বোধন না থাকলেও অনেক সময় ব্যক্তিগত চিঠি লেখা যায়, কিন্তু মূল বক্তব্য বা পত্রগর্ভ ছাড়া কোনো পত্রই তার উদ্দেশ্য সফল করতে পারে না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0