প্রশ্নের বর্ণনা

a সভাপতি, স্কুল পরিচালনা পরিষদ
b অধ্যক্ষ
c প্রধান শিক্ষক
d শ্রেনিশিক্ষক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রধান শিক্ষক ১. কেন সঠিক: - একজন স্কুল ছাত্রের সাধারণ বা নৈমিত্তিক ছুটির আবেদনপত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকার বরাবরই জমা দিতে হয়। - বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোর নিয়ম অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক হলেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং ছুটির অনুমোদনের মূল দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি কোনো কঠিন ব্যাকরণ বা সাহিত্যিক প্রশ্ন নয়, বরং বাংলা ব্যবহারিক রচনা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিষ্টাচার সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। - প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সাধারণ ছুটির দরখাস্ত সর্বদা প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমেই অনুমোদিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রধান শিক্ষক বরাবর ছুটির আবেদন। ব্যাখ্যা: বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার কারণে নৈমিত্তিক ছুটির জন্য প্রধান শিক্ষক বরাবরই আবেদন করতে হয়। উদাহরণ ২: প্রধান শিক্ষক বরাবর প্রশংসাপত্র পাওয়ার আবেদন। ব্যাখ্যা: স্কুল জীবন শেষে প্রশংসাপত্র বা ছাড়পত্র নেওয়ার জন্যও প্রধান শিক্ষকের কাছে দরখাস্ত লিখতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সভাপতি, স্কুল পরিচালনা পরিষদ — বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সাধারণ ছুটির মতো দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজের জন্য নন, বরং নীতিগত বা বড় সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে যুক্ত থাকেন। B) অধ্যক্ষ — সাধারণত কলেজ বা উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে অধ্যক্ষ বলা হয়, স্কুলের ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক ব্যবহার করা হয়। D) শ্রেনিশিক্ষک — শ্রেণিশিক্ষক বা ক্লাস শিক্ষক শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন উপস্থিতি ও ক্লাস পরিচালনা করেন, কিন্তু ছুটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রধান শিক্ষকই দিয়ে থাকেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্কুলের অভ্যন্তরীণ ছুটির জন্য প্রধান শিক্ষক এবং কলেজের ক্ষেত্রে অধ্যক্ষের কাছে দরখাস্ত পাঠাতে হয়। - এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলেই প্রাতিষ্ঠানিক দরখাস্তের সঠিক প্রাপক নির্ধারণ করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা পত্রলিখন ও প্রাতিষ্ঠানিক শিষ্টাচার থেকে এমন বাস্তবভিত্তিক প্রশ্ন আসে। - প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর পদমর্যাদা সম্পর্কে ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই নির্ভুলভাবে দেওয়া সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0