প্রশ্নের বর্ণনা

a নিচে বাম পাশে
b নিচে ডান পাশে
c উপরে বাম পাশে
d উপরে ডান পাশে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপরে বাম পাশে ১. কেন সঠিক: - প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও দাপ্তরিক নিয়ম অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিগত দরখাস্ত লেখার সময় তারিখ সাধারণত পৃষ্ঠার উপরে বাম পাশে লিখতে হয়। - এটি বাংলা পত্রলিখন ও সরকারি চিঠিপত্রের প্রমিত নিয়ম হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে অনুসৃত হয়ে আসছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার ব্যবহারিক ব্যাকরণ বা পত্রলিখন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। - প্রাচীন বা পুরোনো নিয়মে ডান পাশে তারিখ লেখার চল থাকলেও, আধুনিক প্রমিত নিয়মে আবেদনপত্রের প্রাপকের ঠিকানার নিচে বা উপরে বাম পাশেই তারিখ উল্লেখ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরাবর, প্রধান শিক্ষক, ঢাকা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা। তারিখ: ১৫ই জানুয়ারি ২০২৪। ব্যাখ্যা: আধুনিক নিয়মে আবেদনপত্রে বরাবর লেখার পর এবং বিষয় লেখার আগে তারিখটি বাম পাশেই নির্দিষ্ট স্থানে বসাতে হয়। উদাহরণ ২: সচিব মহোদয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা। তারিখ: ১০ই মার্চ ২০২৪। ব্যাখ্যা: দাপ্তরিক পত্র বা দরখাস্তে প্রাপকের ঠিকানার কাছাকাছি বাম দিকে তারিখ লেখার এই নিয়মটি সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিচে বাম পাশে — দরখাস্তের সমাপ্তিতে বিনীত নিবেদকের নিচে স্বাক্ষর ও নাম থাকে, তারিখ নিচে বাম পাশে লেখার কোনো প্রমিত নিয়ম নেই। B) নিচে ডান পাশে — পুরোনো দিনের চিঠিপত্রে বা ব্যক্তিগত চিঠির ক্ষেত্রে ডান পাশে তারিখ লেখার নিয়ম থাকলেও আধুনিক প্রাতিষ্ঠানিক দরখাস্তে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। D) উপরে ডান পাশে — ইংরেজি ফরম্যাট বা অনেক সময় পুরোনো ব্রিটিশ নিয়মে উপরে ডান পাশে তারিখ লেখা হতো, যা প্রমিত বাংলা দরখাস্তের নিয়মের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - দরখাস্ত লেখার সময় মনে রাখবে হাতের বাম দিক থেকে লেখা শুরু হয় এবং তারিখটিও সবসময় উপরে বাম পাশেই বসাতে হয়। - বাম হাত দিয়ে যেমন শুরু, তারিখও থাকবে বামেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রলিখন বা দরখাস্তের ফরম্যাট থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। - বাংলা পত্রলেখনের আধুনিক ও প্রমিত নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের ১ নম্বরের প্রশ্ন সহজেই সঠিক করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0