প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রাপক-প্রেরকের বয়সভেদে
b হিন্দু ও মুসলিম রীতিতে
c প্রাপক-প্রেরকের সম্পর্কভেদে
d উপরের সবকটি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকটি ১. কেন সঠিক: - চিঠিপত্র বা যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রাপকের উদ্দেশ্যে সম্বোধনসূচক শব্দ ব্যবহারে প্রাপক ও প্রেরকের বয়স, সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক এবং ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিনীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। - ভাষার সামাজিক প্রয়োগ ও শিষ্টাচার অনুযায়ী এসব বিষয় বিবেচনা করে সঠিক সম্বোধন নির্বাচন করতে হয়, যা সবকটি অপশনের সমন্বয়ে পূর্ণতা পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার প্রায়োগিক ব্যাকরণ ও পত্রযোগাযোগের শিষ্টাচার সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। - পদ প্রকরণ ও সামাজিক ভাষাবিজ্ঞান বা সোশিওলিঙ্গুইস্টিকসের নিয়মানুযায়ী ভাষার ব্যবহার ক্ষেত্রভেদে পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তির ক্ষেত্রে শ্রদ্ধেয় বা শুভানুধ্যায়ী এবং সমবয়সী বা ছোটদের ক্ষেত্রে প্রীতিভাজন বা স্নেহাস্পদ সম্বোধন ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রাপক ও প্রেরকের বয়স এবং সম্পর্কভেদে সম্বোধনের পার্থক্যের একটি বাস্তব উদাহরণ। উদাহরণ ২: ধর্মীয় প্রেক্ষাপটে সম্বোধনের শুরুতে বিনীত নিবেদক কিংবা প্রথাগত অভিবাদন যেমন আদাব বা নমস্কারের ব্যবহার ভিন্ন হতে পারে। ব্যাখ্যা: এটি হিন্দু ও মুসলিম সামাজিক রীতি অনুযায়ী সম্বোধনের ভিন্নতা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাপক-প্রেরকের বয়সভেদে — এটি সঠিক তথ্য হলেও কেবল বয়স নয়, বরং সম্পর্ক ও ধর্মীয় রীতিও সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়ায় এটি সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) হিন্দু ও মুসলিম রীতিতে — এটি আংশিক সত্য কারণ শুধু ধর্মীয় রীতি নয়, বয়স ও সম্পর্কের বৈচিত্র্যও সম্বোধনে প্রভাব ফেলে। C) প্রাপক-প্রেরকের সম্পর্কভেদে — এটিও সঠিক দিক নির্দেশ করে, তবে বয়সের ভিন্নতা ও ধর্মীয় রীতির প্রভাবকেও এড়ানো যায় না। D) উপরের সবকটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ সম্বোধন নির্ধারণে বয়স, সম্পর্ক এবং ধর্মীয় বা সামাজিক রীতি সবকটিই যৌথভাবে প্রভাব বিস্তার করে। ৫ মনে রাখার টিপস: পত্রালাপ বা চিঠিতে সম্বোধনের ক্ষেত্রে তিনটি প্রধান বিষয় মনে রাখতে হয়, আর তা হলো বয়স, সম্পর্ক এবং সামাজিক বা ধর্মীয় রীতি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়োগিক বাংলা ও পত্র যোগাযোগের শিষ্টাচার থেকে এ ধরনের প্রশ্ন আসে। তাই বাস্তব জীবনের ভাষাগত শিষ্টাচার মাথায় রেখে উত্তর করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0