প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রাপক ও প্রেরকের সম্পর্ক অনুসারে
b সাধারণ
c সম্মানসূচক
d স্নেহপূর্ণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাপক ও প্রেরকের সম্পর্ক অনুসারে ১. কেন সঠিক: পত্রে সম্বোধন মূলত নির্ভর করে চিঠি লেখার উদ্দেশ্য এবং প্রাপক ও প্রেরকের পারস্পরিক সামাজিক বা পারিবারিক সম্পর্কের ওপর। সম্পর্কের বৈচিত্র্যের কারণে সম্বোধন পরিবর্তন হয়, যা পত্রের শিষ্টাচার ও শালীনতা রক্ষা করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা পত্রলিখন বা চিঠিপত্র লেখার সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও শিষ্টাচার রয়েছে। ব্যক্তিগত, দাপ্তরিক বা ব্যবসায়িক পত্রভেদে প্রাপক ও প্রেরকের বয়স, পদমর্যাদা এবং সম্পর্কের ভিত্তিতে যথোপযুক্ত সম্বোধন নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতার কাছে লেখা পত্রে পূজনীয় বা শ্রদ্ধেয় বাবা সম্বোধন ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এখানে প্রাপক পিতা এবং প্রেরক সন্তান, তাই সম্পর্কের গভীরতা ও শ্রদ্ধা অনুসারে এই সম্বোধন নির্ধারিত হয়। উদাহরণ ২: বন্ধুর কাছে লেখা পত্রে প্রিয় বন্ধু সম্বোধন ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এখানে প্রাপক ও প্রেরকের সম্পর্ক সমকক্ষ বা বন্ধুভাবাপন্ন হওয়ায় স্নেহ ও হৃদ্যতার প্রকাশ ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাপক ও প্রেরকের সম্পর্ক অনুসারে — এটি সঠিক কারণ পত্রের সম্বোধন সর্বদা সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে। B) সাধারণ — এটি ভুল কারণ সব চিঠিতে এক ধরনের সাধারণ সম্বোধন ব্যবহার করা যায় না। C) সম্মানসূচক — এটি ভুল কারণ সব চিঠির প্রাপক সম্মানী ব্যক্তি হন না, যেমন ছোট ভাই বা বন্ধুকে সম্মানসূচক সম্বোধন করা যায় না। D) স্নেহপূর্ণ — এটি ভুল কারণ শিক্ষক বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে লেখা চিঠিতে স্নেহপূর্ণ সম্বোধন প্রয়োগ করা যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: চিঠির সম্বোধন মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রাপক কে তা আগে দেখা। বয়সে বড় হলে শ্রদ্ধা, সমান হলে প্রীতি এবং ছোট হলে স্নেহপূর্ণ সম্বোধন ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রলিখন অংশ থেকে শিষ্টাচার ও নিয়ম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। দাপ্তরিক পত্র ও ব্যক্তিগত পত্রের সম্বোধন এবং সমাপ্তি সূচক শব্দগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0