প্রশ্নের বর্ণনা

a শ্রদ্ধাভাজনেষু
b পাক আম্মাজান
c পাক জনাবা
d প্রিয় আম্মাজান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ঘ) প্রিয় আম্মাজান কেন সঠিক: - মা হলেন সন্তানের অত্যন্ত আপন ও স্নেহের পাত্রী, তাই তাকে পত্র লেখার সময় আপনজনসুলভ ও মমতাময়ী সম্বোধন ব্যবহার করতে হয়। - বাংলা পত্রলিখন নিয়মে বয়্যেষ্ঠ ও শ্রদ্ধেয় গুরুজন মা-বাবার ক্ষেত্রে স্নেহের সাথে শ্রদ্ধার ভাব প্রকাশ করে প্রিয় সম্বোধন করা সর্বদাই শিষ্টাচারসম্মত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা পত্রলিখন বা চিঠি লেখার ব্যাকরণে প্রাপক ও প্রেরকের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে সঠিক সম্ভাষণ ও অভিবাদন নির্ধারণ করা বাধ্যতামূলক। - বাংলা পত্রসাহিত্যে মা, বাবা কিংবা অতি নিকটাত্মীয়দের সাথে আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে আন্তরিকতা ও পারিবারিক হৃদ্যতার প্রকাশ বেশি ঘটে। - যেমন, পিতার ক্ষেত্রে প্রিয় আব্বাজান এবং মাতার ক্ষেত্রে প্রিয় আম্মাজান বা স্নেহভাজনেষুর পরিবর্তে স্নেহময়ী মায়ের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সম্ভাষণ ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) শ্রদ্ধাভাজনেষু — এই সম্ভাষণটি সাধারণত শিক্ষক, মুরুব্বি বা বয়োজ্যেষ্ঠ কোনো শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিকে চিঠি লেখার সময় ব্যবহার করা হয়, মায়ের ক্ষেত্রে নয়। - খ) পাক আম্মাজান — পাক শব্দটি বাংলা পারিবারিক চিঠিপত্রের প্রচলিত ও স্বাভাবিক সম্ভাষণরীতির অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটি এখানে অপ্রাসঙ্গিক। - গ) পাক জনাবা — জনাবা শব্দটি মূলত অপরিচিত বা প্রাতিষ্ঠানিক নারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে সম্মানসূচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা মায়ের জন্য প্রযোজ্য নয়। - ঘ) প্রিয় আম্মাজান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - গুরুজন বা শিক্ষকদের জন্য শ্রদ্ধাভাজনেষু এবং মা-বাবার জন্য প্রিয় আম্মাজান বা প্রিয় আব্বাজান ব্যবহার করতে হয়। - ব্যক্তিগত চিঠিতে সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা অনুযায়ী সম্ভাষণ নির্বাচন করা পরীক্ষার খাতা নম্বর পাওয়ার মূল চাবিকাঠি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0