প্রশ্নের বর্ণনা

a পাক জনাব
b শ্রদ্ধেয়
c বরাবর
d মাননীয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বরাবর ১. কেন সঠিক: দরখাস্ত বা আনুষ্ঠানিক চিঠিপত্র লেখার প্রারম্ভে প্রাপককে সম্বোধন করার জন্য বরাবর শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি দাপ্তরিক বা প্রাতিষ্ঠানিক লেখার একটি প্রতিষ্ঠিত নিয়ম যা পত্রের শুরুতে প্রাপকের নাম বা পদবির ঠিক আগে বসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা পত্রলিখন বা দাপ্তরিক যোগাযোগের একটি বিশেষ কাঠামোগত নিয়ম রয়েছে যেখানে প্রাপকের নির্দিষ্ট ঠিকানা ও পদবির পূর্বে বরাবর শব্দটি যোগ করতে হয়। এটি প্রাপককে উদ্দেশ্য করে পত্র প্রেরণের একটি প্রমিত ও সর্বজনস্বীকৃত রূপ যা চিঠির প্রাপক নির্দেশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরাবর, প্রধান শিক্ষক, ঢাকা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা। ব্যাখ্যা: বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট ছুটির আবেদনপত্র লেখার সময় প্রারম্ভে বরাবর শব্দটি এভাবে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: বরাবর, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জনতা ব্যাংক পিএলসি, ঢাকা। ব্যাখ্যা: ব্যাংক সংক্রান্ত বা প্রাতিষ্ঠানিক কোনো দাপ্তরিক দরখাস্ত লেখার ক্ষেত্রেও প্রাপক বোঝাতে বরাবর শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাক জনাব — এটি কোনো প্রমিত দাপ্তরিক শব্দ নয় এবং দরখাস্তের শুরুতে প্রাপক বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয় না। B) শ্রদ্ধেয় — এটি সাধারণত ব্যক্তিগত বা অনানুষ্ঠানিক চিঠিতে গুরুজনদের ক্ষেত্রে সম্বোধন হিসেবে ব্যবহার করা হয়, দাপ্তরিক দরখাস্তে নয়। C) বরাবর — এটি সঠিক অপশন কারণ দাপ্তরিক নিয়ম অনুযায়ী দরখাস্তের প্রারম্ভে প্রাপকের ঠিকানায় এটি ব্যবহার করা হয়। D) মাননীয় — এটি বিশেষ কোনো পদস্থ ব্যক্তিকে সম্মান প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার করা হলেও দরখাস্তের সূচনায় বরাবর শব্দের স্থান এটি পূরণ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: দরখাস্ত লেখার সময় মনে রাখবে বরাবর মানে হলো যার বরাবর বা যার উদ্দেশ্যে চিঠিটি পাঠানো হচ্ছে। তাই প্রাপকের পদবির ঠিক আগে বরাবর শব্দটি বসাতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রলিখন সম্পর্কিত প্রশ্নে দাপ্তরিক শিষ্টাচার ও নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। দাপ্তরিক চিঠির প্রারম্ভে প্রাপক নির্দিষ্ট করতে বরাবর শব্দটি অপরিবর্তনীয়ভাবে ব্যবহৃত হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0