প্রশ্নের বর্ণনা

a সমাপ্তি বাক্য
b মঙ্গলোচ্চারণ
c স্থান ও তারিখ
d সম্বোধন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মঙ্গলোচ্চারণ ১. কেন সঠিক: - আবেদনপত্রে প্রথাগত বা ধর্মীয় কোনো মঙ্গলোচ্চারণ বা আশীৰ্বাণী লেখার নিয়ম নেই। - আবেদনপত্র একটি আনুষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক যোগাযোগ মাধ্যম হওয়ায় এতে নির্দিষ্ট কাঠামো মেনে তথ্য উপস্থাপন করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবেদনপত্র বা দরখাস্ত মূলত একটি আনুষ্ঠানিক পত্র। - এর কাঠামোতে প্রাপকের ঠিকানা, বিষয়, সূত্র, মূল বক্তব্য, নিবেদক ও তারিখ থাকে, যেখানে মঙ্গলোচ্চারণের কোনো স্থান নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকুরির আবেদনপত্র ব্যাখ্যা: এতে পদের নাম, প্রার্থীর যোগ্যতা এবং প্রয়োজনীয় সংযুক্তি থাকে কিন্তু কোনো মঙ্গলোচ্চারণ থাকে না। উদাহরণ ২: ছুটির আবেদনপত্র ব্যাখ্যা: এতে ছুটির কারণ, দিনসংখ্যা এবং আবেদনকারীর নাম থাকে যা প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম মেনে লেখা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাপ্তি বাক্য — আবেদনপত্রের শেষে বিনীত নিবেদক বা সমাপ্তিসূচক বাক্য থাকা বাধ্যতামূলক। B) মঙ্গলোচ্চারণ — এটি প্রাতিষ্ঠানিক চিঠিপত্রে থাকে না, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) স্থান ও তারিখ — আবেদনপত্রের নির্দিষ্ট স্থানে স্থান ও তারিখ উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। D) সম্বোধন — আবেদনপত্রে প্রাপককে শ্রদ্ধেয় বা মহাশয় বলে সম্বোধন করতে হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাতিষ্ঠানিক লেখালেখিতে আবেগ বা মঙ্গলোচ্চারণের সুযোগ নেই, তাই আবেদনপত্রে এটি অনুপস্থিত থাকে। - দরখাস্ত লেখার নির্দিষ্ট কাঠামো মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দাপ্তরিক চিঠিপত্র বা আবেদনপত্রের কাঠামো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - ব্যক্তিগত চিঠি ও প্রাতিষ্ঠানিক চিঠির মূল পার্থক্য হলো ব্যক্তিগত চিঠিতে কুশল বিনিময় ও আশীর্বাদ থাকে, যা প্রাতিষ্ঠানিক পত্রে থাকে না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0