প্রশ্নের বর্ণনা

a বিদেশি ভাষায়
b অবস্থানকারী দেশের ভাষায়
c বাংলা ভাষায়
d ইংরেজি ভাষায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইংরেজি ভাষায় ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক ডাক যোগাযোগের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী প্রবাসী বন্ধু বা বিদেশের কোনো ঠিকানায় চিঠি পাঠালে খামের ওপর প্রাপকের ঠিকানা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মাধ্যম অর্থাৎ ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। এর মূল কারণ হলো দেশের সীমানা পেরিয়ে চিঠিটি যখন অন্য কোনো রাষ্ট্রে পৌঁছায়, তখন সেখানকার স্থানীয় ডাককর্মীরা বাংলা ভাষা পড়তে পারেন না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি মূলত বাংলা ভাষা ও প্রায়োগিক রচনা বা পত্রযোগাযোগ সংক্রান্ত একটি সাধারণ জ্ঞানভিত্তিক প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। চিঠিপত্র লেখার ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানা স্পষ্ট এবং আন্তর্জাতিক ডাকব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: To: Mr. Rahman, 123 Baker Street, London, UK. ব্যাখ্যা: বিদেশের ঠিকানায় চিঠি পাঠানোর সময় প্রাপকের নাম ও পূর্ণ ঠিকানা আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে ইংরেজিতে লেখা হয়। উদাহরণ ২: From: Karim, House 45, Road 12, Dhaka, Bangladesh. ব্যাখ্যা: দেশের ভেতরের পোস্টাল সিস্টেমের সুবিধার্থে প্রেরকের ঠিকানা বাংলা বা ইংরেজি উভয় ভাষাতেই লেখা যায় তবে বিদেশের ক্ষেত্রে ইংরেজি বাধ্যতামূলক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদেশি ভাষায় — বিদেশি বলতে যেকোনো ভাষা বোঝায় যা নির্দিষ্ট কোনো মানদণ্ড বা আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ভাষা হিসেবে নিশ্চিত নয়। B) অবস্থানকারী দেশের ভাষায় — অবস্থানকারী দেশের ভাষা বলতে প্রবাসী বন্ধু যে দেশে থাকে তার স্থানীয় ভাষাকে বোঝায় যা সবার পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। C) বাংলা ভাষায় — বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা হলেও আন্তর্জাতিক ডাক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিদেশের কর্মীরা তা পড়তে অক্ষম হতে পারেন। D) ইংরেজি ভাষায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ আন্তর্জাতিক ডাক বিভাগের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী ঠিকানা ইংরেজিতে লিখতে হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিদেশে চিঠি পাঠাতে হলে ডাকঘরের নিয়ম মানতে হবে, তাই ঠিকানা লিখতে হবে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ভাষা অর্থাৎ ইংরেজিতে। চিঠির ঠিকানা লেখার সময় মনে রাখবে দেশ পার হলেই ভাষা হবে ইংরেজি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষাকে সার্বজনীন মাধ্যম হিসেবে ধরা হয়। চিঠিপত্র ও দরখাস্ত লেখার আধুনিক নিয়মকানুন থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রায়োগিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0