প্রশ্নের বর্ণনা

a স্নেহাস্পদ
b পাকজনাব
c শ্রদ্ধাস্পদ
d পাকজনাবেষ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্নেহাস্পদ ১. কেন সঠিক: - মাতা বা পিতা যখন তাদের পুত্রকে পত্র লেখেন, তখন পুত্রের নামের সঙ্গে স্নেহাস্পদ বা শুভাকাঙ্ক্ষী শব্দ ব্যবহার করে সম্বোধন করতে হয়। - স্নেহাস্পদ শব্দের অর্থ হলো যিনি স্নেহ পাওয়ার যোগ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পত্র লিখন বাংলা ব্যাকরণের একটি ব্যবহারিক অংশ, যেখানে প্রাপক ও প্রেরকের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট সম্বোধন ও সম্ভাষণ ব্যবহার করা হয়। - গুরুজন বা অভিভাবক কর্তৃক ছোটদের বা অনুজদের পত্রে আশীর্বাদ বা স্নেহ প্রকাশ করার জন্য এই ধরনের শব্দ নির্বাচন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতার নিকট পুত্রের পত্রে সম্ভাষণ নিবেদন করিয়াষু লেখা হয়। ব্যাখ্যা: এটি পত্র লিখনের ক্ষেত্রে অপর পক্ষের সম্বোধনের একটি প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম। উদাহরণ ২: শিক্ষকের নিকট ছাত্রের পত্রে বিনীত নিবেদন ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটিও সম্পর্কের ভিন্নতার কারণে সম্বোধনের নিয়ম পরিবর্তনের একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্নেহাস্পদ — এটি সঠিক উত্তর। B) পাকজনাব — এটি কোনো অর্থপূর্ণ বাংলা শব্দ নয় এবং পত্র লিখনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। C) শ্রদ্ধাস্পদ — এটি ছোটদের প্রতি বড়দের লেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, বরং বড়দের বা শিক্ষকদের সম্বোধনে ব্যবহৃত হয়। D) পাকজনাবেষ — এটি সম্পূর্ণ অর্থহীন একটি শব্দ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপশন মেলানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছোটদের স্নেহ করতে হয়, তাই ছোটদের পত্রে স্নেহাস্পদ বা স্নেহের শব্দটি ব্যবহার করবে। - বড়দের শ্রদ্ধা করতে হয়, তাই বড়দের পত্রে শ্রদ্ধাস্পদ বা শ্রদ্ধেয়েষু ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্র লিখনের নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সম্পর্ক অনুযায়ী সঠিক সম্বোধন এবং সম্ভাষণ নির্বাচন করার জন্য একটি তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করে নেবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0