প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রাপক ও প্রেরকের সম্পর্কের ভিত্তিতে
b সৌজন্যবোধের ভিত্তিতে
c সামাজিকতার ভিত্তিতে
d ধর্মের ভিত্তিতে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধর্মের ভিত্তিতে ১. কেন সঠিক: চিঠিপত্র বা পত্রালাপে মঙ্গলসূচক শব্দ বা সম্ভাষণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রেরক ও প্রাপকের ধর্মীয় বিশ্বাসের বড় ভূমিকা থাকে। ধর্মীয় পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে চিঠির শুরুতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ আলাদা মঙ্গলসূচক শব্দ বা ইষ্টনাম ব্যবহার করে থাকেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চিঠি বা পত্র লেখার ক্ষেত্রে প্রথাগতভাবে ধর্মের ওপর ভিত্তি করে মঙ্গলসূচক শব্দ নির্বাচন করা হয়। এটি মূলত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আচার এবং ধর্মীয় অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ যা বাংলা পত্রসাহিত্যে দীর্ঘকাল ধরে প্রচলিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সনাতন ধর্মে চিঠির শুরুতে ওম শ্রী গণেশায় নমঃ বা নমস্কার লেখা হয়। ব্যাখ্যা: এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্য অনুযায়ী ব্যবহৃত একটি ধর্মীয় মঙ্গলসূচক শব্দ। উদাহরণ ২: ইসলাম ধর্মে চিঠির শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বা আসসালামু আলাইকুম লেখা হয়। ব্যাখ্যা: এটি ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের নিজস্ব ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতির অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাপক ও প্রেরকের সম্পর্কের ভিত্তিতে — সম্পর্কের ভিত্তিতে চিঠির ভেতরের ভাষা ও সম্বোধন পরিবর্তিত হয়, কিন্তু মূল মঙ্গলসূচক শব্দ মূলত ধর্মের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। B) সৌজন্যবোধের ভিত্তিতে — সৌজন্যবোধ চিঠির সামগ্রিক শিষ্টাচার নির্ধারণ করে, তবে মঙ্গলসূচক শব্দের ভিন্নতা প্রধানত ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে ঘটে। C) সামাজিকতার ভিত্তিতে — সামাজিকতা মানুষের পারস্পরিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু এটি সরাসরি মঙ্গলসূচক শব্দের ধর্মীয় ভেদাভেদ নির্ধারণ করে না। D) ধর্মের ভিত্তিতে — এটি সঠিক কারণ বিভিন্ন ধর্মে চিঠির শুরুতে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মীয় শব্দ বা ইষ্টনাম লেখার প্রচলন রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: চিঠির মঙ্গলসূচক শব্দের ভিন্নতা মনে রাখার সহজ উপায় হলো ধর্মভেদে সম্ভাষণ বদলায় যেমন ইসলাম ধর্মে আসসালামু আলাইকুম এবং সনাতনে নমস্কার। ধর্মীয় পরিচয় ও সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করেই মূলত এই শব্দগুলোর পরিবর্তন ঘটে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত চিঠি লিখন ও পত্রের শিষ্টাচার সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের সময় সামাজিক ও ধর্মীয় রীতিনীতির পার্থক্যগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0