প্রশ্নের বর্ণনা

a জনাব
b স্নেহধন্য
c মান্যবর
d শ্রদ্ধাস্পদেষু/শ্রদ্ধেয়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্রদ্ধাস্পদেষু/শ্রদ্ধেয় ১. কেন সঠিক: - মুসলমান রীতিতে ব্যক্তিগত চিঠিপত্রে গুরুজন বা বয়সে বড় ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের সম্বোধনের জন্য শ্রদ্ধাস্পদেষু বা শ্রদ্ধেয় শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - এই শব্দগুলোর মাধ্যমে প্রাপকের প্রতি সম্মান, ভক্তি ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করা হয় যা সামাজিক শিষ্টাচার ও পত্রলেখার নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা পত্রালাপের শিষ্টাচার ও পদপ্রকরণ বিষয়ক একটি প্রশ্ন যেখানে ব্যক্তিগত পত্রের নিয়ম আলোচিত হয়েছে। - বাংলা ভাষায় ব্যক্তিগত পত্র বা চিঠির ক্ষেত্রে প্রাপকের বয়স, সামাজিক অবস্থান ও সম্পর্কের গভীরতা অনুযায়ী আলাদা সম্বোধন ও সম্ভাষণ ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রদ্ধেয় বাবা, আপনার আশিস ও দোয়ায় আমি ভালো আছি। ব্যাখ্যা: পরিবারের গুরুজন হিসেবে বাবার ক্ষেত্রে শ্রদ্ধেয় সম্ভাষণটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রদ্ধাস্পদেষু বড় ভাই সাহেব, আপনার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি। ব্যাখ্যা: বয়সে বড় এবং সম্মানী ব্যক্তির ক্ষেত্রে শ্রদ্ধাস্পদেষু শব্দটি যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনাব — এটি সাধারণত দাপ্তরিক, ব্যবসায়িক বা প্রাতিষ্ঠানিক পত্রে অপরিচিত বা সমকক্ষ পুরুষ ব্যক্তিকে সম্বোধন করতে ব্যবহৃত হয়, গুরুজনকে নয়। B) স্নেহধন্য — এই শব্দটি গুরুজন কর্তৃক বয়সে ছোট বা কনিষ্ঠ ব্যক্তিদের আশীর্বাদ বা স্নেহ প্রকাশ করার জন্য চিঠিতে ব্যবহার করা হয়। C) মান্যবর — এটি মূলত কোনো পদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যক্তি বা সভা-সমিতিতে প্রধান অতিথিকে সম্মান জানিয়ে সম্বোধনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) শ্রদ্ধাস্পদেষু/শ্রদ্ধেয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মুসলমান রীতি অনুযায়ী ব্যক্তিগত পত্রে গুরুজনদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বিশেষভাবে প্রযোজ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুরুজনকে চিঠিতে শ্রদ্ধা জানাতে সবসময় শ্রদ্ধাস্পদেষু বা শ্রদ্ধেয় লিখবে। - ছোটদের স্নেহ জানাতে স্নেহভাজন বা স্নেহধন্য শব্দটি ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রলেখার শিষ্টাচার থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। - প্রাপক ও প্রেরকের সম্পর্কের ধরন ভালোমতো বুঝে তারপর সঠিক সম্ভাষণ ও সমাপ্তি সূচক শব্দ নির্বাচন করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0