প্রশ্নের বর্ণনা

a কনিষ্ঠের প্রতি
b গুরুজনের প্রতি
c মাতাপিতার প্রতি
d বন্ধুদের প্রতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গুরুজনের প্রতি ১. কেন সঠিক: - তসলিমবাদ আরজ শব্দটি প্রথাগত বাংলা পত্র রচনার ক্ষেত্রে বিশেষ সম্ভাষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এটি মূলত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিনীত নিবেদন বা অভিবাদন বোঝাতে গুরুজন বা শ্রদ্ধেয় ব্যক্তির প্রতি প্রয়োগ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পত্র লেখার ক্ষেত্রে প্রাপকের বয়স, সামাজিক অবস্থান ও সম্পর্কের ভিন্নতা অনুযায়ী বিভিন্ন সম্ভাষণ ও বিদায়সূচক শব্দ ব্যবহার করা হয়। - প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় পত্রসাহিত্যে বা প্রথাগত দাপ্তরিক ও সামাজিক চিঠিপত্রে সম্মান প্রদর্শনের জন্য এ ধরনের সম্ভাষণের প্রচলন ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরম শ্রদ্ধাস্পদেষু ব্যাখ্যা: এটিও গুরুজন বা বয়োজ্যেষ্ঠদের চিঠির শুরুতে সম্মানসূচক সম্ভাষণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: কল্যাণীয়েষু ব্যাখ্যা: এই সম্ভাষণটি কনিষ্ঠ বা ছোটদের চিঠির ক্ষেত্রে আশীর্বাদসূচক অর্থে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কনিষ্ঠের প্রতি — কনিষ্ঠদের ক্ষেত্রে আশীর্বাদসূচক শব্দ যেমন কল্যাণীয়েষু বা স্নেহাষ্পদেষু ব্যবহৃত হয়, তসলিমবাদ আরজ নয়। B) গুরুজনের প্রতি — এটি সঠিক কারণ গুরুজনদের প্রতি সম্মান ও বিনীত নিবেদন প্রকাশ করতে এই সম্ভাষণ প্রযোজ্য। C) মাতাপিতার প্রতি — মাতাপিতার চিঠিতে প্রণাম বা শ্রদ্ধাঞ্জলি জাতীয় সম্ভাষণ ব্যবহৃত হয়, প্রথাগত তসলিমবাদ আরজ সাধারণত অন্যদের প্রতি প্রযোজ্য। D) বন্ধুদের প্রতি — বন্ধুদের ক্ষেত্রে প্রিয় বা সখ্যসুলভ সম্ভাষণ যেমন প্রিয় সুহৃদ ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তসলিমবাদ আরজ কথাটির অর্থ বিনীত অভিবাদন। - সম্মান ও ভক্তি দেখাতে হয় গুরুজনকে, তাই এটি গুরুজনের চিঠির জন্য নির্ধারিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চিঠিপত্রের সম্ভাষণ ও বিদায়সূচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রাপকের সঙ্গে লেখকের সম্পর্কের ধরন বুঝে সঠিক সম্ভাষণ নির্বাচন করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0