প্রশ্নের বর্ণনা

a টেলিফোন
b টেলিগ্রাম
c মুঠোফোন
d চিঠিপত্র
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চিঠিপত্র ১. কেন সঠিক: অফিস সংক্রান্ত কাজে দূরদূরান্তে বা বিভিন্ন দপ্তরে তথ্য আদান-প্রদান, আদেশ বা নির্দেশ পাঠানোর জন্য ঐতিহ্যগতভাবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মে চিঠিপত্রের ব্যবহার প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। প্রথাগত অফিস ব্যবস্থাপনায় লিখিত দালিলিক প্রমাণ এবং সংরক্ষণের জন্য চিঠি বা পত্র যোগাযোগের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি মূলত বাংলা ভাষার ব্যবহারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ সংক্রান্ত প্রশ্ন, যা দৈনন্দিন দাপ্তরিক কাজের পরিভাষার অন্তর্ভুক্ত। দাপ্তরিক কাজে নির্ভুল ভাষা, প্রাপকের পদমর্যাদা অনুযায়ী সম্বোধন এবং সুনির্দিষ্ট কাঠামো অনুসরণ করে চিঠিপত্র তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি ছুটির আবেদনপত্র। ব্যাখ্যা: এটি নির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিক নিয়ম মেনে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার নিকট পাঠানো এক ধরনের দাপ্তরিক চিঠি। উদাহরণ ২: এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে পাঠানো স্মারক লিপি বা অফিস আদেশ। ব্যাখ্যা: এটি দাপ্তরিক যোগাযোগ ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য ব্যবহৃত প্রাতিষ্ঠানিক চিঠিপত্রের একটি রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেলিফোন — টেলিফোন দ্রুত যোগাযোগের মাধ্যম হলেও এটি মৌখিক যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো লিখিত বা দাপ্তরিক স্থায়ী রেকর্ড থাকে না। B) টেলিগ্রাম — টেলিগ্রাম খুব সংক্ষিপ্ত বার্তা প্রেরণের মাধ্যম ছিল যা বর্তমানে প্রায় অপ্রচলিত এবং এটি অফিসের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম নয়। C) মুঠোফোন — মুঠোফোন আধুনিক যুগে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হলেও অফিস সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক কাজের প্রধান মাধ্যম হিসেবে এখনো চিঠিপত্রের গুরুত্ব অপরিসীম। D) চিঠিপত্র — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি অফিস সংক্রান্ত কাজের প্রধান মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃত। ৫. মনে রাখার টিপস: অফিস মানেই দাপ্তরিক লেখালেখি এবং দাপ্তরিক লেখালেখির মূল ভিত্তি হলো লিখিত চিঠিপত্র। মৌখিক মাধ্যম রেকর্ড থাকে না বিধায় প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম চিঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক যোগাযোগ বা পত্র যোগাযোগ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক ও লিখিত মাধ্যম হিসেবে চিঠিপত্রের গুরুত্ব মনে রাখতে হবে। সরকারি চিঠিপত্র লেখার নিয়ম এবং এর প্রকারভেদ সম্পর্কে ধারণা রাখা আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0