প্রশ্নের বর্ণনা

a মূল বিষয়বস্তু
b তারিখ ও ঠিকানা
c প্রাপকের নাম ও ঠিকানা
d প্রেরকের নাম ও ঠিকানা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাপকের নাম ও ঠিকানা ১. কেন সঠিক: চিঠি বা পোস্টকার্ড লেখার সময় খাম বা পোস্টকার্ডের ডানপাশে যার কাছে চিঠি পাঠানো হচ্ছে তার নাম ও ঠিকানা লিখতে হয়। এটি পত্রালাপের একটি আন্তর্জাতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম যা ডাক বিভাগের সঠিক নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার ব্যবহারিক ব্যাকরণ এবং প্রমিত পত্রালাপ সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন। চিঠি লেখার ক্ষেত্রে বিন্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যেখানে প্রেরক ও প্রাপকের নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পোস্টকার্ডের ডানপাশে প্রাপকের নাম, গ্রাম, পোস্ট অফিস ও জেলার নাম স্পষ্ট অক্ষরে লিখতে হয়। ব্যাখ্যা: ডাক বিভাগের কর্মীরা যেন সহজে ঠিকানা পড়তে পারেন তাই ডানপাশে প্রাপকের তথ্য লেখা বাধ্যতামূলক। উদাহরণ ২: অফিশিয়াল খামের ডানপাশে প্রাপকের ঠিকানা লিখে নিচে টিকটক বা ডাকটিকিট লাগানোর জায়গা রাখতে হয়। ব্যাখ্যা: সঠিক স্থানে ঠিকানা ও টিকিট না থাকলে চিঠি গন্তব্যে পৌঁছায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূল বিষয়বস্তু — মূল বিষয়বস্তু খামের ওপর লেখা হয় না, এটি চিঠির পাতার ভেতরের অংশে লিখতে হয়। B) তারিখ ও ঠিকানা — চিঠির ভেতরে বা খামের নির্দিষ্ট স্থানে তারিখ লেখা হলেও ডানদিকটি কেবল প্রাপকের জন্য নির্দিষ্ট। C) প্রাপকের নাম ও ঠিকানা — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডাক বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী খাম বা পোস্টকার্ডের ডানপাশে প্রাপকের ঠিকানা লিখতে হয়। D) প্রেরকের নাম ও ঠিকানা — প্রেরকের নাম ও ঠিকানা খামের বা পোস্টকার্ডের বামপাশে লিখতে হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ডানহাতি মানুষেরা যেমন প্রধান কাজ ডান হাতে করে, তেমনি চিঠির প্রধান ব্যক্তি অর্থাৎ যার কাছে চিঠি যাচ্ছে সেই প্রাপকের ঠিকানা ডানপাশে বসে। প্রেরক থাকে বাঁয়ে আর প্রাপক থাকে ডানে এই সহজ সূত্রটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রালাপ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। চিঠির ডানপাশে প্রাপক এবং বামপাশে প্রেরকের অবস্থান সংক্রান্ত নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0