প্রশ্নের বর্ণনা

a সংক্ষিপ্ত
b স্বয়ংসম্পূর্ণ
c চাতুর্যপূর্ণ
d জ্ঞানগর্ভ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্বয়ংসম্পূর্ণ ১. কেন সঠিক: - একটি ভালো চিঠির প্রধান গুণ হলো এর ভাষা হতে হবে স্বয়ংসম্পূর্ণ, যাতে প্রেরকের বক্তব্য পরিষ্কারভাবে ফুটে ওঠে। - চিঠির প্রাপক যেন কোনো ধরনের অস্পষ্টতা ছাড়াই প্রেরকের মনের ভাব ও উদ্দেশ্য পুরোপুরি বুঝতে পারেন, তাই পত্রের বিবরণ স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া আবশ্যক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার ব্যবহারিক রচনা বা পত্রলিখন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক প্রশ্ন। - পত্রলিখন বলতে ভাববিনিময় বা তথ্য আদান-প্রদানের লিখিত রূপকে বোঝায়, যা প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবেদনপত্র লেখার সময় প্রাপকের পদের নাম, বিষয় এবং মূল বক্তব্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা। ব্যাখ্যা: এই তথ্যগুলো না থাকলে আবেদনপত্রটি অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাজের উপযোগী হয় না। উদাহরণ ২: পারিবারিক চিঠিতে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি মূল সংবাদটি সম্পূর্ণভাবে ফুটিয়ে তোলা। ব্যাখ্যা: এতে প্রাপকের মনে কোনো প্রশ্ন বা বিভ্রান্তির অবকাশ থাকে না এবং চিঠিটি সার্থক হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংক্ষিপ্ত — চিঠি সংক্ষিপ্ত হতে পারে, তবে শুধু সংক্ষিপ্ত হলেই তা গ্রহণযোগ্য হয় না যদি প্রয়োজনীয় তথ্য বাদ পড়ে যায়। B) স্বয়ংসম্পূর্ণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ চিঠিতে প্রয়োজনীয় সব তথ্য ও ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পেতে হয়। C) চাতুর্যপূর্ণ — চিঠির ভাষা চাতুর্যপূর্ণ বা প্যাঁচালো হওয়া উচিত নয়, বরং সহজ ও সরল হওয়া বাঞ্ছনীয়। D) জ্ঞানগর্ভ — চিঠি কোনো গবেষণাপত্র বা প্রবন্ধ নয়, তাই এটি সবসময় জ্ঞানগর্ভ হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চিঠি পড়ার পর যেন প্রাপকের মনে কোনো অতিরিক্ত প্রশ্ন না থাকে, তাই পত্র সবসময় স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হয়। - এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে কার্যকারিতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রলিখন বা ভাবসম্প্রসারণের মৌলিক বৈশিষ্ট্য সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - পত্রের মূল লক্ষ্য হলো যোগাযোগ স্থাপন, তাই এটি তথ্যবহুল ও পূর্ণাঙ্গ হওয়া প্রয়োজন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0